
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালক ও চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে আরও চারজনকে।
আজ বুধবার বেলা ১১টায় মুকসুপুর উপজেলার ছাগলছিড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুকসুদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল।
তিনি বলেন, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী গ্লোবাল পরিবহনের একটি বাস মুকসুদপুরের ছাগলছিড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিপরীতমুখী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের পাঁচ যাত্রী নিহত হন। আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে মাদারীপুরের রাজৈর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে চারজন নারী ও মাইক্রোবাসের চালক রয়েছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে ওই স্থানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘণ্টাখানেক পরে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে