
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৫ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য প্রার্থী ও জাতীয় নেতাদের হত্যা করতে তারেক জিয়া লন্ডনে বসে কিলিং এজেন্ট তৈরি করছে। আপনারা একে প্রতিরোধ করবেন। বাংলাদেশের মানুষ ’৭১-এর কালো সময় পাড়ি দিয়েছে, এবারও যত বাধা আছে সব মোকাবিলা করা হচ্ছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক জিয়া আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ঘটিয়েছিল। বিদেশি শক্তি আমাদের ইলেকশন নিয়ে পরামর্শ দিলে তা গ্রহণ করব। কিন্তু বিএনপির হয়ে আমাদের ইলেকশনের ক্ষতি হয়, এমন শক্তিকে উসকানি দিলে তা আমরা মেনে নেব না।’
আজ রোববার সকাল থেকে দিনব্যাপী তাঁর নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ আসনের কবিরহাট উপজেলার চাপ্রাশিরহাট, জনতা বাজার, চর আলগী, আলগী বাজার, মুকবুল চৌধুরীহাট, আমিন বাজার, আবদুল্যাহ মিয়ারহাট, কালামুন্সি ও ভূঁইয়ারহাট বাজারে গণসংযোগকালে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘যারা ট্রেন-বাস পোড়াচ্ছে, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারছে, এদের কোনো ক্ষমা নেই। আমাদের যারা প্রতিপক্ষ নির্বাচনে নেই, তারা নির্বাচনের বিরোধিতা করে ভোটকেন্দ্রে না আসার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের বিচার অবশ্যই হবে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। আমরা অস্ত্রবাজি, বোমাবাজি ও আগুন-সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না। আমাদের বড় অস্ত্র হচ্ছে দেশের জনগণ। আমাদের প্রতিপক্ষ বিএনপি ফিলিস্তিনে ইসরায়েলিরা যেভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে, তারাও সেভাবে বাংলাদেশে মানুষ হত্যাসহ সকল অপকর্ম চালাচ্ছে। তারেক জিয়া দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, দেশে আসার তার কোনো সৎ সাহস নেই।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে বড় একটি দল নেই, এ জন্যই এবারের নির্বাচন আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের সবার দায়িত্ব বেড়ে গেছে। আমি সকলকে বলব—যদি নৌকাকে ভালোবাসেন, আমাকে এবং শেখ হাসিনাকে ভালোবাসেন তাহলে ৭ জানুয়ারি সকলে দলবেঁধে ভোটকেন্দ্রে আসবেন। কেউ যদি মনে করেন, কাদের ভাই তো হয়ে গেছে, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী হবে? এটা কেউ মনে করবেন না—ভোটকেন্দ্রে আসবেন এবং ভোট দেবেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি, নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল, কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিউলী একরাম, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল করিম রতন, কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি মো. ইব্রাহীম, সাধারণ সম্পাদক ও কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান প্রমুখ।

জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষক ও শ্রমিক কল্যাণ, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
২৮ মিনিট আগে
আতাউর রহমান আতার সঙ্গে সাঘাটা উপজেলা জাপার সদস্যসচিব মমিতুল হক নয়নসহ দলটির পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দেন। আতাউর রহমান আতা একাধারে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং সাঘাটা উপজেলা জাপার সভাপতি ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ বসে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণ তার দায়িত্ব ঠিকই পালন করবে এবং সুষ্ঠু ভোট আদায় করে ছাড়বে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীগুলোকে...
১১ ঘণ্টা আগে
এক দিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন, সেই তথ্য জানিয়েছে দলটির মিডিয়া সেল। সেলের দেওয়া তথ্যানুযায়ী এদিন সকালে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার কেন্দ্রে ভোট দেবেন দলের নেতারা।
১৩ ঘণ্টা আগে