
নওগাঁ জেলা কারাগারের বন্দী বিএনপি নেতা মতিবুল মণ্ডলের (৫৫) হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মতিবুল জেলার পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর এলাকার বাসিন্দা এবং নজিপুর পৌর বিএনপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
নওগাঁর জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মতিবুল মণ্ডল গত ২৭ নভেম্বর জেল হাজতে আসেন। তিনি মারধর ও বিস্ফোরক মামলার আসামি ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১৪ ডিসেম্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে কারা হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ বুধবার সকালে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।
জেল সুপার নজরুল ইসলাম আরও বলেন, মতিবুল মণ্ডল আরটিআই (শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ), হার্টের সমস্যাসহ তিন-চারটি রোগে ভুগছিলেন। শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন। ইতিমধ্যে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারকে তাঁর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছে। দুপুরে তাঁর ছেলেসহ পরিবারের লোকজন এসেছেন। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে লাশ তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পত্নীতলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল হামিদ বলেন, ‘মতিবুল মণ্ডল পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর বিএনপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। নাশকতার মিথ্যা মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। শুনেছি, অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন।’
বিএনপির এই নেতার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন রহমান বলেন, ‘মিথ্যা মামলা দিয়ে গত ২৬ নভেম্বর নজিপুর পুরোনো বাজার থেকে মতিবুল মণ্ডলকে পুলিশ আটক করে। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। আজ খবর পেয়ে হাসপাতালে তাঁর লাশ দেখতে এলামা। অকুতোভয় সৈনিক মতিবুল মণ্ডলের মৃত্যুতে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৮ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৯ ঘণ্টা আগে