
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের উদ্যোগে আয়োজিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্রেমলিনের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের শিশু জোরপূর্বক রাশিয়ায় পাচারের অভিযোগে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই অভিযোগে রাশিয়ার শীর্ষ এক নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
সূত্রটি জানিয়েছে, ক্রেমলিন আগামী অক্টোবরে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামের বৈঠকে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুতিন। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং পুতিনকে বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পুতিনও এই আয়োজনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
২০২২ সালের শুরু থেকেই চীন ও রাশিয়া পরস্পরের ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনে পাঠানোর ঠিক আগমুহূর্তে চীন সফর করেন পুতিন। সে সময় তিনি চীন ও রাশিয়ার বন্ধুত্বকে সীমাহীন বলে আখ্যা দেন।
এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, সামরিকসহ সব খাতেই সহযোগিতা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করলেও বেইজিং তার সমালোচনা করেনি বা রাশিয়ার পাশ থেকে সরেও আসেনি। বরং রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ আফ্রিকায় হয়ে যাওয়া ব্রিকস জোটের সম্মেলনে যোগ দিতে চাইলেও পারেননি। আইসিসির রোম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী হওয়ায় আইসিসির আইন মানার বাধ্যবাধকতা ছিল দেশটির। পরে বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পুতিন। তবে চীন এখনো রোম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। তাই দেশটির জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানা বাধ্যতামূলক নয়।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়া সত্ত্বেও চীন বর্তমানে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের গবেষক মিশেল মেইডান বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থায় শক্তিশালী ‘বাফার’ বা সুরক্ষা কবচ রয়েছে চীনের।
২৫ মিনিট আগে
ইরানে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইনখ্যাত হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসনে বড় ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে জাতিসংঘ। তবে একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা...
২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধ আগামী চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে গুটিয়ে আসতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনের কর্মকর্তারা ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের জন্য বিস্তারিত প্রস্তুতি নিয়েছেন। এই বিষয়ে আলোচনা সম্পর্কে অবহিত একাধিক সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে জানিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে