হলিউডের ছবির দর্শকদের জন্য সময়টা বেশ ভালোই যাচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের সিনেপ্লেক্স মাতিয়ে রেখেছে ‘বার্বি’ এবং ‘ওপেনহাইমার’। যার রেশ কাটতে না কাটতে বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য আবারও এসেছে নতুন ছবির খবর। আগামীকাল শুক্রবার একসঙ্গে দু’টি হলিউডের ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় সিনেপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সে।
একটি সায়েন্স ফিকশন অ্যাকশনধর্মী ছবি ‘মেগ ২: দ্য ট্রেঞ্চ’। অন্যটি অ্যানিমেশন ছবি ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’। দু’টি ছবিই সিকুয়েল। রক্তপিপাসু ভয়ংকর হাঙরের তাণ্ডব নিয়ে নির্মিত ‘মেগ ২: দ্য ট্রেঞ্চ’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন বেন হুইটলি। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা জেসন স্ট্যাথাম। অন্যদিকে, জনপ্রিয় কমিক চরিত্র নিয়ে ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন জেফ রো।
‘মেগ ২: দ্য ট্রেঞ্চ’ সিনেমায় ডাইনোসরের যুগের লুপ্তপ্রায় একটি বিশাল হাঙরের দেখা মেলে মাঝ সমুদ্রে। যার নাম ম্যাগালোডন। সেই বিশালাকার হাঙরের গ্রাসে যেতে শুরু করে বহু জাহাজ থেকে সাবমেরিন। বিস্ময়কর সেই হাঙরের বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াই করে এক দুঃসাহসিক ডুবুরি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সে অভিযান সফল হয়। মারা যায় সেই ম্যাগালোডন। অধ্যায়টা সেখানে সমাপ্ত হলেও গল্প কিন্তু শেষ হয়নি। দর্শকদের জন্য আরও ভয়ংকর গল্প রেখে দেন নির্মাতা। সেই গল্প নিয়েই এবার আসছে ‘মেগ ২: দ্য ট্রেঞ্চ’। যেখানে দেখা যাবে, লুপ্তপ্রায় সেই রক্তপিপাসু হাঙর আবার ফিরে এসেছে। এবার আর ম্যাগালোডন একা নয়, সদলবলে প্রতিশোধ নিতে ফিরছে সে। সমুদ্রের তলদেশে প্রাগৈতিহাসিক কালের প্রাণীদের খাদ্যচক্র নিয়ে গবেষণারত একদল বিজ্ঞানী। যার অনিবার্য ফলাফল ম্যাগালোডন হাঙরের প্রত্যাবর্তন।
এর আগেও জুরাসিক পার্ক ছবিতে আমরা দেখেছি মহাকালের অমোঘ নিয়ম নিয়ে ছেলেখেলা করলে তার কি ভয়ংকর পরিণতি হতে পারে। ‘মেগ ২’ ছবিতেও হতে চলেছে ঠিক তেমনটাই। প্রথম ছবি ‘দ্য মেগ’-এর মতো এ ছবিতেও কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যাসন স্ট্যাথাম। ২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল এর প্রথম ছবি ‘দ্য মেগ’। বক্স অফিসে যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছিল স্টিভ অল্টেনের ‘মেগ: এ নভেল অফ ডিপ টেরর’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি। ১৭৮ মিলিয়ন ডলার বাজেটের দ্য মেগ বিশ্বজুড়ে ব্যবসা করেছিল ৫৩০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী দারুণ জনপ্রিয় কমিক চরিত্র টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস। ১৯৮০ সালের মাঝামাঝিতে কেভিন ইস্টম্যান ও পিটার লেয়ার্ডের মাধ্যমে একটি কমিক বই সিরিজ হিসেবে এই কচ্ছপগুলোর যাত্রা শুরু। এরপর তারা পাঠকদের কাছে রীতিমতো আইকনিক চরিত্র হয়ে ওঠে। পিৎজাপ্রেমী এই কচ্ছপগুলো নিয়ে নির্মিত হয় অসংখ্য টিভি শো, ভিডিও গেম। ২০০৭ সালের গোড়ার দিকে এই নিনজাদের নিয়ে নির্মিত হয় অ্যানিমেশন সিনেমা; যা বিশ্বব্যাপী দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এরপর ২০১৪ সালে আরও দুটি চলচ্চিত্রের জন্য আবার লাইভ অ্যাকশনে ফিরে যায়।
২০২৩ সালে টিনএজ মিউট্যান্টরা ফিরে এসেছে নতুন অ্যাডভেঞ্চার নিয়ে। এবারের গল্পের নাম ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’। গল্পে দেখা যাবে, বহু বছর ধরে পৃথিবীতে আশ্রয় নেওয়ার পর কচ্ছপ ভাইরা নিউইয়র্কবাসীর মন জয় করতে এবং সাধারণ কিশোর-কিশোরীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করার জন্য রওনা হয়। এ সময় তাদের বন্ধুত্ব হয় এপ্রিল ও’নিলের সঙ্গে। অন্যদিকে নতুন বন্ধুরা রহস্যময় এক অপরাধ সিন্ডিকেটের কথা তাদের জানায়। তারা যখন সেই সিন্ডিকেটের সঙ্গে লড়াইয়ের পরিকল্পনা করে, ঠিক তখনই মিউট্যান্টদের একটি বাহিনী তাদের ওপর আক্রমণ করে, যা কচ্ছপের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। তারা কি বন্ধু হবে নাকি শত্রু? এমন গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় সিনেমাটি।

১৯৬১ সালে ওয়েলসের পন্টিপ্রিডে জন্মগ্রহণ করেন ফিল ক্যাম্পবেল। তিনি ১৯৮৪ সালে মোটরহেডে যোগ দেন এবং ২০১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩১ বছর ব্যান্ডটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৫ সালে ব্যান্ডের মূল কান্ডারি লেমি কিলমিস্টারের মৃত্যুর পর মোটরহেড ভেঙে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
এবার ঈদ উপলক্ষে তৈরি দুটি গানে পাওয়া গেছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের কোলাবোরেশন। একটি গানে বাংলাদেশের বেলাল খানের সুরে গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। আরেকটি গানে কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের ডলবি থিয়েটারে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) জমকালো আসরে সম্মানিত হলেন চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্ররা। এবারের আসরে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনয়ের শীর্ষ সম্মাননা জিতেছেন ‘হ্যামনেট’-এর জেসি বাকলি এবং ‘সিনার্স’-এর মাইকেল বি জর্ডান।
১২ ঘণ্টা আগে
ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার সিনেমার নেপথ্যের মানুষটি পল থমাস অ্যান্ডারসন। গত বছরের পুরোটা সময় জুড়ে যাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা, উন্মাদনা ছিল চলচ্চিত্র দুনিয়ায়। ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারের মতো একটি ‘অন্যরকম’ সিনেমা বানিয়ে যিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে