মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

সেকশন

 

এক সপ্তাহের মধ্যে বাখমুত দখল করে রাশিয়াকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভাগনারের

আপডেট : ২২ মে ২০২৩, ২২:০৮

বাখমুতে অবস্থান করা ভাড়াটে ভাগনার গ্রুপের সেনারা। ছবি: বিবিসি ১ জুনের মধ্যেই ইউক্রেনের বাখমুত অঞ্চলকে রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটির ভাড়াটে যোদ্ধার দল ভাগনার গ্রুপ। এর আগে গত শনিবার দলটির প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভজেনি প্রিগোশিন শহরটি নিজেদের দখলে নিয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। 

এদিকে ইউক্রেন দাবি করছে, শহরটির কিছু অংশে তারা এখনো নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। শুধু তাই নয়, শহরটির আশপাশের অঞ্চলগুলোতে ইউক্রেনের সেনারা অবস্থান নিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে। 

সোমবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়-ভাগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রিগোশিন দাবি করেছেন, আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই রাশিয়ার কাছে বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবেন তারা। 

প্রিগোশিন বলেন, ’ ২৫ মে থেকে ১ জুনের মধ্যেই আর্টেমোভস্ক ছেড়ে যাবে ভাগনার গ্রুপ।’ সোভিয়েত আমলে বাখমুত অঞ্চলকে আর্টেমোভস্ক বলে ডাকা হতো। পরে ইউক্রেন এটির নতুন নামকরণ করে। 

ভাগনার নেতা জানান, রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে তারা শহরটির পশ্চিম সীমান্ত বরাবর প্রতিরোধ লাইন স্থাপন করছেন। 

এদিকে, ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হান্না মালিয়ার দাবি করেছেন, বাখমুতের কিছু এলাকায় বিশেষ করে লিটাক এলাকাটিতে এখনো ইউক্রেনের সেনারা আধিপত্য ধরে রেখেছেন। শহরটির আশপাশেও অবস্থান নিয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইউক্রেন সেনা। এ অবস্থায় বাখমুতে ভাগনার গ্রুপের সাফল্য লাভের গতিও থেমে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৌশলগত দিক থেকে রাশিয়ার কাছে বাখমুত খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে শহরটিকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে তীব্র লড়াই ও ক্ষতি দুই পক্ষের জন্যই জেদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

গত রোববার জাপানে জি-৭ সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। সেখানে তিনি দাবি করেন, বাখমুত এখনো রাশিয়ার দখলে চলে যায়নি। 

তবে ভাগনার শহরটিকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করলে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ভাগনার গ্রুপকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে-নিজের অনুগত কিছু সেনার সঙ্গে পোজ দিয়ে বাখমুত দখলে নেওয়ার দাবি করছেন ভাগনার নেতা প্রিগোশিন। সর্বশেষ এক বিবৃতিতে ভাড়াটে এই যুদ্ধ নেতা বলেন, ‘যদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (রুশ) যথেষ্ট লোকবল না থাকে, তবে বলতে চাই আমাদের অনেক জেনারেল আছে।’ 

এ সময় নিজের দলকে প্রকাশ্যে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য রাশিয়ার উচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে টিপ্পনিও প্রিগোশিন। গত মাসেই বাখমুতে লড়াইরত সেনাদের যথেষ্ট রসদ না দিলে তারা শহর ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। 

বলা হচ্ছে, দোনেস্ক অঞ্চলটিকে পুরোপুরিভাবে দখলে নিতে বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ রুশ বাহিনীর জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে। গত সেপ্টেম্বরে দোনেস্কে একটি গণভোটের আয়োজন করে অঞ্চলটিকে স্বাধীন ঘোষণা করেছিল রুশ কর্তৃপক্ষ। 

একটি মার্কিন সূত্র দাবি করছে, বাখমুত নিয়ে লড়াইয়ে ২০ হাজারেরও বেশি রুশ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮০ হাজার। 

যুদ্ধ শুরুর আগে শহরটিতে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। বর্তমানে শহরটি প্রায় খালি হয়ে গেছে। লবণের খনি এবং ওয়াইন তৈরির জন্য শহরটি বিখ্যাত।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    রাশিয়ার প্লাতান ইনস্টিটিউটের অফিস ভবনে হঠাৎ আগুন, নিহত ৮ 

    রাফাহে তীব্র লড়াই শেষের দিকে, বললেন নেতানিয়াহু

    রাশিয়ার দাগেস্তানে হামলা, ১৫ পুলিশসহ নিহত অন্তত ১৭ 

    ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার ২ শিশুসহ নিহত ৬ 

    রাশিয়ার ড্রোন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইউক্রেনের

    আহত ফিলিস্তিনির জন্য অ্যাম্বুলেন্স চাইলে গাড়ির সঙ্গে বাঁধল ইসরায়েলিরা

    আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমণি 

    উত্তরা ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

    যে শঙ্কায় বিয়ে করছেন না সালমান, জানালেন বাবা সেলিম খান

    বাগেরহাটে প্রতিপক্ষের হামলায় মাছ ব্যবসায়ী চাচা নিহত

    আজকের পত্রিকায় চাকরির সুযোগ

    সেমিফাইনাল করতে করতে ম্যাচই হারল বাংলাদেশ, আফগানরা গড়ল ইতিহাস