বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। ‘বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
শোভাযাত্রার অগ্রভাগে ছিল পুলিশের সোয়াত টিম, এরপর মোটরসাইকেলে র্যাবের একটি দল। তাঁদের পেছনে ছিল ডিএমপি পুলিশের একটি দল। এরপর ছিলেন সাদা পোশাকে পুলিশ ও ডিবির সদস্যরা। এ ছাড়া ড্রোন উড়িয়ে পুলিশ ও ডিবির সদস্যরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখছেন। তাঁদের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, চারুকলা অনুষদের ডিন নিসার হোসেনের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় অংশ নেয় সর্বস্তরের মানুষ।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা থেকেই পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ক্যাম্পাস এলাকায় মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে সব ধরনের যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় ক্যাম্পাসে। এদিকে নববর্ষের এই দিনে ক্যাম্পাস এরিয়ায় ভুভুজেলা বাজানো ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষেধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সব রকম চেষ্টা করেও বিদ্যুতের জোগান ১২ থেকে ১৩ হাজারের ওপরে ওঠাতে পারেনি বিদ্যুৎ বিভাগ। বিপরীতে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দিনে-রাতে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি হচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য খোলাবাজার থেকে এলএনজি কার্গোর জোগাড় হওয়ায় গ্যাসের সংকট কিছুটা হলেও কমে আসতে পারে বলে আশা
৭ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিককে মানবিক প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের দেশে পাঠানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে অপরাধের সংখ্যা বেশি না বাড়লেও অপরাধের ধরন ও নিষ্ঠুরতায় এসেছে উদ্বেগজনক পরিবর্তন। গত জুলাই মাসের তুলনায় নারী ও শিশু হত্যা, দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং ধর্ষণ ও হত্যা অনেকাংশে বেড়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
‘আমরা কোনো সংখ্যার সিন্ডিকেটই চাই না। দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য সমান ও উন্মুক্ত সুযোগ থাকতে হবে। নেপাল, পাকিস্তান বা মিয়ানমারের ক্ষেত্রে এ ধরনের কাঠামো করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশের জন্য করা চুক্তিটি পর্যালোচনা ও সংশোধন করা প্রয়োজন।’
১১ ঘণ্টা আগে