হরমোন হচ্ছে শরীর থেকে নিঃসৃত একধরনের রস। এটি শরীরের এক জায়গা থেকে উৎপন্ন হয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন কাজ করে। আমাদের শরীরে অনেক ধরনের হরমোন আছে। যেমন থাইরয়েড হরমোন, কর্টিসল হরমোন, টেস্টোস্টেরন হরমোন ইত্যাদি। কর্টিসল হরমোন আমাদের এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হওয়া একটি হরমোন।
কর্টিসল হরমোনের কাজ
এ হরমোন কম থাকার লক্ষণ
কর্টিসল একটি স্টেরয়েডজাতীয় হরমোন। যাদের এ হরমোনের পরিমাণ কমে যায়, তাদের ওষুধ হিসেবে এটি দেওয়া হয়। তবে ওষুধ হিসেবে কর্টিসল অতিরিক্ত গ্রহণ করার ফলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যা হতে পারে
কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের উপায়
কাজের চাপ, পড়াশোনার চাপ, পারিপার্শ্বিক বা পারিবারিক চাপ আমাদের মধ্যে একধরনের মানসিক সমস্যা তৈরি করে। মানসিক অশান্তিতে এই হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের উপায় হলো
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
পরীক্ষা ও চিকিৎসা
চিকিৎসক আপনার শরীরের লক্ষণ অনুযায়ী রক্তে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করতে দেবেন। রক্তে লবণের পরিমাণ ও ব্লাড সুগারের অবস্থা জানতে পরীক্ষা করতে দেবেন, প্রেশার মেপে দেখবেন। পরীক্ষার রিপোর্টে যদি আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে হরমোনের ঘাটতি থাকে, তাহলে তা বাড়ানোর জন্য হরমোনের ওষুধ দেবেন। প্রয়োজনে জ্বর বা বমি অবস্থায় এই ওষুধের ডোজ বাড়াতে হতে পারে, সেটাও বলে দেবেন।
যদি স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধের ফলে শরীর ফুলে যায় এবং লাল লাল ফাটা দাগ দেখতে পাওয়া যায়, তাহলে হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম,হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ

দেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবকে শিশুদের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। সংস্থাটি বলেছে, এ পরিস্থিতি শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবনের অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানছে এবং তাৎক্ষণিক, সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের রোগী বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগী ফেরত না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শয্যা সংকটের কারণ দেখিয়ে কোনো রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। সে সঙ্গে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ১৭০ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৭৪ জন।
২১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৯ জনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৩৪ জনে। একই সময় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে।
২ দিন আগে