
রংপুর সিটির করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর)। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো শুরু হয়েছে ইভিএমসহ নানা সরঞ্জাম। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আনসার, পুলিশ সদস্যরা। মোটরসাইকেল, ইজিবাইকসহ প্রাইভেট কার চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা। মোড়ে মোড়ে চলছে পুলিশি তল্লাশি।
আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ডিসির মোড়, জাহাজ কোম্পানি, মেডিকেল মোড়, বুড়িহাট, মর্ডাণসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নির্বাচনে সহিংসতা রোধে বহিরাগতদের অপ্রয়োজনে নগরীতে প্রবেশ নিষেধ করার জন্য মোড়ে মোড়ে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেখানে মোটরসাইকেল আরোহীদের থামিয়ে করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ। গন্তব্য জেনে অপ্রয়োজনীয় হলে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
ডিসির মোড়ে কথা হয় মোটরসাইকেল আরোহী পাগলাপীর এলাকার হাসু সরকারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সিটির বাইরে আমার বাড়ি। বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলাম দেখা করতে। এখানে আসার পর পুলিশ থামিয়েছে। জরুরি প্রয়োজন নয় জন্য ফেরত পাঠাল।’

সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, ‘মঙ্গলবার রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর গত রাত ১২টা থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বাইরে থেকে মোটরসাইকেলে প্রবেশকারীদের আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তাদের গন্তব্য জানতে চাচ্ছি। যারা ঠিকভাবে উদ্দেশ্য বলতে পারছেন না তাদের ফের পাঠানো হচ্ছে।’
এদিকে সকাল থেকে রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল মাঠ থেকে ২২৯ কেন্দ্রের ১ হাজার ৩৪৯ বুথে নেওয়া হচ্ছে ইভিএমসহ নানা সরঞ্জাম। নির্বাচনে কাজে নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ৭ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাঠে থাকছে র্যাব-১১ প্লাটুন বিজিবিসহ শতাধিক পুলিশের টহল গাড়ি। এই নির্বাচনে ৮৬টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেছে নির্বাচনী ট্রেনিং কর্মকর্তা।
এ ছাড়াও নির্বাচনে মাঠের পরিস্থিতি ঠিক রাখতে কাজ করছেন ৪৯ জন নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এর মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন ৩৩ জন এবং ১৬ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
তৃতীয়বারের রসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ জন প্রার্থী ও ৩৩টি ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর (মহিলা) পদে ৬৮ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২২৯টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এবারেই সিটির সব কেন্দ্রে ইভিএম ভোট হবে।
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, ‘ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন তার সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে। নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক রাখতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’
রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, ২৫ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী সকল ধরনের নির্বাচনী মাইকিং ও মধ্যরাত থেকে প্রচার প্রচারণা বন্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গতকাল রাত ১২টার পর থেকে ২৭ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত রসিক এলাকায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইকসহ ব্যক্তিগত প্রাইভেট কার ও নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

সুনামগঞ্জের পাঁচ আসনের মধ্যে দুটিতেই বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী রয়েছে বিএনপির। তাঁরা হচ্ছেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আনোয়ার হোসেন এবং সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জয়নুল জাকেরিন। দল থেকে বহিষ্কার করলেও ভোটের মাঠে তাঁদের ঘিরে রয়েছে নানা সমীকরণ। তাঁরা ধানের শীষের ভোটে ভাগ বসাতে পারলে এর সুবিধা পাবে জামায়াত।
৭ ঘণ্টা আগে
সীমান্তঘেঁষা গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন রাজশাহী-১। কৃষিকাজে সেচের সমস্যা দুই উপজেলাতেই প্রকট। প্রতিবছরই পানির অভাবে বাধাগ্রস্ত হয় চাষাবাদ। আরেক সমস্যা মাদক; এর প্রভাব গোদাগাড়ীতে বেশি। প্রতিবার ভোটের আগে প্রার্থীরা এ দুটি সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
রাত পোহালেই কাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট। নির্বাচন ঘিরে সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের ছয়টি আসনে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে সীমান্ত ও জেলা-উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে...
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছেন দলটির ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দীর্ঘদিন পর এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হলেও দলীয় কোন্দল, বিদ্রোহ এবং অঞ্চলভিত্তিক ভোট বিভাজনের আশঙ্কায়...
৭ ঘণ্টা আগে