পছন্দসই বাসা ভাড়া পাওয়া অনেকটা দুরূহ বলতে হয়। তার ওপর থাকে বাড়িওয়ালাদের নানা শর্ত। যেমন, ‘অবিবাহিতদের বাসা ভাড়া দেওয়া হয় না’ বা ‘ব্যাচেলর ভাড়া নিষেধ’। আবার ‘ধূমপান নিষেধ’ কিংবা ‘রাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরতে হবে’—এমন শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়।
নিজের বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে এসব শর্ত মেনে তবেই পাওয়া যায় ভাড়া বাসা। মাঝে মাঝে কিছু অদ্ভুত শর্ত চোখে পড়ে। তেমনই একটি শর্ত সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ভাড়া নেওয়ার শর্ত হিসেবে লেখা আছে, ‘নো পোয়েটস’ ‘নো স্মোকিং’ অর্থাৎ ‘কবি হওয়া যাবে না’ এবং ‘ধূমপান করা যাবে না’। তাহলে বাসা ভাড়া মিলবে না।
এমন অদ্ভুত শর্তের বাসা ভাড়ার বিজ্ঞাপন বেশ সাড়া ফেলেছে নেট দুনিয়ায়। তবে বিজ্ঞাপন দেওয়া ওই বাসার ঠিকানা এখনো জানা যায়নি। বাড়ির মালিক কি ভুলে এমন বিজ্ঞাপন দিলেন, নাকি তিনি কবিদের পছন্দ করেন না তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এদিকে বিজ্ঞাপনটি ভাইরাল হলে অনেক টুইটার ব্যবহারকারী মজার মন্তব্য করেছেন। কেউ একে লেখার ভুল বলে একজন সম্পাদকের প্রয়োজন বলেছেন।
একজন লিখেছেন, শব্দটি আসলে পোয়েট না হয়ে পেট (পোষা প্রাণী) হবে। অর্থাৎ ঘরে কোনো পোষ্য রাখা যাবে না।
একজন তো কবিদের দোষারোপ করে বলছেন, এলোমেলো স্বভাবের হয় কবিরা। বাসা নোংরা করে রাখে।
এ ছাড়া কে এই বিজ্ঞাপন দিয়েছেন এবং তিনি আসলেই এটা বুঝিয়েছেন কি না, জানতে চেয়েছেন অনেকে।

ভারতের কেরালা রাজ্যের কোট্টায়ামে ব্যস্ত সড়কের মাঝখানে গাড়ি থামিয়ে চালকের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই ঘটনায় বেশ কিছু সময় ধরে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে সড়কে যানজট তৈরি হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ দিন আগে
মুম্বাইয়ের গুণ্ডাভালি মেট্রো স্টেশনের এক আদা রঙের বিড়ালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে মজার এক কাণ্ড। যাত্রীরা মজা করে তাকে চাকরি দেওয়ার দাবি তুলতেই মেট্রো কর্তৃপক্ষও সেই রসিকতায় সায় দিয়ে বিড়ালটির নাম দিয়েছে ‘চিফ ফেলাইন অফিসার।’
২ দিন আগে
জাপানের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট ফুজিতে সাত বছর বয়সী ছেলেকে একা ফেলে চলে গিয়েছিলেন বাবা। শিশুটির কাছে কেবল একটি কোমল পানীয় এবং সামান্য কিছু হালকা খাবার (স্ন্যাকস) ছিল। কুয়াশাচ্ছন্ন ও বৃষ্টিমুখর আবহাওয়ার মধ্যে ২ হাজার মিটারের (৬,৫০০ ফুট) বেশি উচ্চতায় একটি বেঞ্চে শিশুটি একা বসে ছিল।
৩ দিন আগে
রেস্তোরাঁয় খাওয়া শেষে বিল দেওয়ার পর ফেরত আসা খুচরা টাকাটা অনেক সময়ই সার্ভ করে যাওয়া ওয়েটারকে দিয়ে দেই আমরা। যাকে বলা হয় টিপস। কোথাও কোনো সেবা গ্রহণের পর টিপস দেওয়া আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। অবশ্য এখন ‘সার্ভিস ফি’ হিসেবে বিলের কাগজেই একটি চার্জ যুক্ত করা থাকে।
৬ দিন আগে