হাসপাতালে ভর্তির সপ্তাহখানেক পরেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নতি হয়নি। এখনো চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণেই আছেন তিনি। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাঁর হাসপাতাল ছাড়ার বিষয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি চিকিৎসকেরা।
আজ রোববার দুপুরে খালেদা জিয়ার সবশেষ অবস্থা জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।
শায়রুল জানান, এই অবস্থায় তাঁকে (খালেদা জিয়া) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তাঁর বাড়ি ফেরার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
হার্টের সমস্যা নিয়ে গত ১১ জুন থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন খালেদা জিয়া। হার্টে রিং পরানোর পর গত ১৫ জুন কেবিনে আনা হয়েছে তাঁকে। কেবিনে আনার পরে পুরোনো কিছু অসুখও ভোগাতে শুরু করেছে তাঁকে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, গত দুই দিন ধরে খালেদা জিয়ার রক্তচাপ ওঠানামা করছে। তবে আজ অনেকটা স্থিতিশীল আছে। এর পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত সমস্যাসহ আরও কিছু সমস্যা আছে।
হাসপাতালে আনার পরে এনজিওগ্রাম করে খালেদা জিয়ার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটি ব্লক অপসারণে রিং পরানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ অসুখে কাবু ৭৭ বছর বয়সী খালেদা জিয়া। গত বছরের নভেম্বরে তাঁর লিভার সিরোসিস শনাক্ত হয়। এর আগে অনেকবার এভারকেয়ার হাসপাতালে আনা হয়েছে তাঁকে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমাদের জাতিগত মুক্তি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকে কাজে লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা হতে পারে।’ সামনে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য
৩২ মিনিট আগে
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৭ নম্বর সেক্টরের বরগুনা-২ আসনের সাবেক এমপি শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ...
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাঁচানোর প্রশ্ন নয়, ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাত থেকে জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। প্রশাসনের দায়িত্ব হলো গোপনে সক্রিয় থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা এবং জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা...
৫ ঘণ্টা আগে