মঙ্গল গ্রহে অদ্ভুত আকৃতির শিলার সন্ধান পেয়েছেন নাসার মহাকাশবিজ্ঞানীরা। মার্স রোভার কিউরিওসিটির (গাড়ি আকৃতির যন্ত্র) মাধ্যমে তাঁরা দেখেছেন, শিলাটির গঠন বাঁকানো টাওয়ারের মতো।
এদিকে ভিনগ্রহে বুদ্ধিমত্তার সন্ধান করে এমন একটি সংস্থা এসইটিআই গত মাসে টুইটারে মঙ্গলে পাথর গঠনের একটি ছবি পোস্ট করেছে। ছবিটি মার্স রোভারের ক্যামেরা দিয়ে তোলার পর পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। ছবিটি নিয়ে মহাকাশ পর্যবেক্ষকেরা কৌতুহলী হয়ে উঠেছেন। তবে এসইটিআই এটিকে ভিনগ্রহের প্রাণী নয় বলে জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, ছবিতে আরেকটি শীতল শিলা দেখা গেছে। সেটি সিমেন্টযুক্ত শিলার মতো এবং কোথাও কোথাও ক্ষয়ে গেছে বলে মনে হয়েছে। পৃথিবীতে বৃষ্টি, পানি, বরফ ও বাতাসের কারণে শিলা ক্ষয়ে যায়। তবে মঙ্গলে প্রবাহিত পানির অভাব রয়েছে, যদিও অনেক বাতাস রয়েছে সেখানে।
মার্কিন সাময়িকী নিউজ উইক জানিয়েছে, এ বছরের শুরুর দিকে নাসা ফুলের মতো দেখতে একটি শিলার ছবি প্রকাশ করেছিল। গত ৯ মার্চে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শিলাটি এক পয়সার চেয়েও ছোট।
মঙ্গলের ছবিগুলো প্রায়ই মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। এ বছরের শুরুর দিকে নাসা আরও একটি পাথুরে ছবি প্রকাশ করেছিল। সেটি দেখতে অনেকটা প্রবেশদ্বারের মতো ছিল। ছবিটিকে অনেকেই ‘এলিয়েন ফিগার’ মনে করেছিলেন।

সৌরজগৎকে সাধারণত মানব সভ্যতার অন্যতম স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামো হিসেবে দেখা হয়। পৃথিবীতে যাই ঘটুক না কেন, গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিক্রমা করে চলেছে এবং আকাশে একটি সুশৃঙ্খল বিন্যাস তৈরি করছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগতের অতীত হয়তো এতটা শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল না।
৩ দিন আগে
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) রুশ অংশে নতুন করে এয়ার (বাতাস) লিক বা ছিদ্র শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাঁচ মহাকাশচারীকে একটি মহাকাশযানে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা...
৫ দিন আগে
প্রায় ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে মারা যাওয়া বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত মানব মমি ওৎজি দ্য আইসম্যানের দেহে আজও কিছু অণুজীব সক্রিয় থাকতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, তাঁর শরীরে পাওয়া কিছু জীবাণু সম্ভবত মমিটির মতোই প্রাচীন। আবার কিছু জীবাণু বর্তমান সংরক্ষণাগারের
৭ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আকাশে গত শনিবার একটি উল্কা বিস্ফোরিত হয়। এর ফলে সৃষ্ট বিকট শব্দ পুরো অঞ্চলে প্রতিধ্বনিত হয়। বিস্ফোরণটির শক্তি ছিল প্রায় ৩০০ টন টিএনটির সমতুল্য। এই বিস্ফোরণের ফলে, ঘটনাস্থলের নিচে থাকা বাড়িঘর ব্যাপকভাবে কেঁপে উঠে। বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
৮ দিন আগে