পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত মাওয়া এবং জাজিরা প্রান্তকে সংযোগকারী বহুমুখী সেতুর ‘পদ্মা সেতু’ নামকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আজ রোববার রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সেতু বিভাগের উপসচিব মো. আবুল হাসানের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সেতু বিভাগের অধীন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরীয়তপুর জেলার জাজিরা প্রান্ত সংযোগকারী পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি সরকার ‘পদ্মা সেতু’ নামকরণ করেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করে সেতুর সারসংক্ষেপে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই দিন গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সবশেষ খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
ওই দিন গণভবন থেকে বের হয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদ্মা নদীর নামেই সেতুর নামকরণ করা হবে।’ তবে একটি সারসংক্ষেপে সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু’ প্রস্তাব করা হয়েছিল।
সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতুর প্রায় ৯৮ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং নদী শাসনের কাজ শেষ হয়েছে ৯২ শতাংশ।

তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে সেনাবাহিনী প্রধান এই সফরে গেছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আজ সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর প্রথম মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) চালু হওয়ার পর এর যাত্রীসংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। তবে এক জরিপে দেখা গেছে, এই ট্রেনের যাত্রীদের বেশির ভাগই এসেছেন সিটি বাস থেকে। ব্যক্তিগত গাড়ি রেখে ট্রেনে চড়ার মানুষের সংখ্যা এখনো নগণ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা ও ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে ১ হাজার ৩১৮টি প্রায় দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্রের মধ্যে ১১২টি চায়না রাইফেলও রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়–ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।
১৪ ঘণ্টা আগে