
কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের জকিগঞ্জে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন স্থানে ডাইক ভেঙে প্রবল বেগে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। এরই মধ্যে সুরমা নদীর সাতটি ও কুশিয়ারা নদীর দুটি স্থানে ডাইক ভেঙে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হয়। পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকদের পাকা বোরো ধান, পুকুর, ফিশারি। ডুবে গেছে অনেক বাড়িঘরও।
এই পানিতে মানিকপুর, কাজলশার, বারহাল, জকিগঞ্জ সদর ও বিরশ্রী ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে বারহাল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী বলেন, বারহালের নোয়াগ্রাম, ‘উত্তর খিলোগ্রাম, শরিফবাদ, কচুয়া, চক গ্রামে সুরমা নদীর ডাইক ভেঙে জনপদ প্লাবিত হয়েছে। কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানি বন্ধী রয়েছে। ১০০০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে পানিতে।’
জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তিন হাজারের মতো লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ভারতীয় মণিপুর রাজ্য থেকে প্রবাহিত বরাক নদ বাংলাদেশের জকিগঞ্জ সীমান্তে এসে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে রূপান্তরিত হয়েছে।
মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় থেকে খরস্রোতা লোভা নদী কানাইঘাটে সুরমায় মিলিত হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে মণিপুর ও মেঘালয়ের পহাড়ে অবিরাম ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনো সময় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।’
সিলেটে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জকিগঞ্জের বন্যার্তদের জন্য এরই মধ্যে ১৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের তেমুহনী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত আটটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পারভেজ নামে এক দোকানকর্মী আহত হয়েছেন।
৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, শহরের মাহবুবনগর এলাকায় রোববার সকালে সাইফুল ইসলামের কেনা জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে বিজয় নামের এক যুবক তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে সাইফুল ইসলামের কাজে বাধা দেন। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে সাইফুল ইসলামকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষের লোকজন।
১৫ মিনিট আগে
স্বামীর মৃত্যুর পর আয়েশার পরিবারকে সহায়তা করতেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা আলী আহম্মেদ। কিন্তু গত বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে তিনিও মারা যান। এর পর থেকেই আয়েশা ও তাঁর সন্তানদের জীবনে নেমে আসে চরম অনিশ্চয়তা।
২৬ মিনিট আগে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ভিজিএফ একটি সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি। এর মাধ্যমে অসহায়, ভূমিহীন, কর্মহীন, অতিদরিদ্র ও নদীভাঙন, বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সাময়িক খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে সুবিধাভোগীর তালিকা প্রস্তুত...
২ ঘণ্টা আগে