
কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা উদ্যাপিত হচ্ছে। জেলার প্রায় ১৫০টি বৌদ্ধবিহারে দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
উৎসব উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রামু উপজেলার কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহার থেকে ৩৫টি বৌদ্ধবিহারের সম্মিলিত উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য মৈত্রী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেন ভিক্ষু, উপাসক-উপাসিকা এবং বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। বর্ণিল ব্যানার, ফেস্টুন ও ধর্মীয় প্রতীক বহন করে শোভাযাত্রাটি রামুর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।
এর আগের দিন রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধবিহারে অনুষ্ঠিত হয় ৮৪ হাজার ধর্মস্কন্দপূজা এবং প্রব্রজ্যাদান অনুষ্ঠান। এতে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ অনুসারী অংশ নেন এবং ধর্মীয় অনুশীলনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির বার্তা গ্রহণ করেন।
অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বুদ্ধপূজা, সংঘদান এবং অষ্ট পরিষ্কার দান। ভক্তরা ভোর থেকেই বিহারে উপস্থিত হয়ে বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিকেলে হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন, ধর্মসভা একই সঙ্গে জগতের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় অনুষ্ঠিত হয় সমবেত প্রার্থনা।
রামু ছাড়াও জেলা সদর, উখিয়া, টেকনাফ, ঈদগাঁও, চকরিয়া, মহেশখালী ও পেকুয়ায় বুদ্ধপূর্ণিমার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহমর্মিতা এবং মানবকল্যাণের বার্তা সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
৬ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
৬ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৬ ঘণ্টা আগে