রাজশাহীর পুঠিয়ার ছাত্রলীগ নেতা মাজেদুর রহমান নয়নকে (২৮) হত্যাচেষ্টার মামলায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমনউজ্জামান সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে বেলপুকুর থানা-পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরপর দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গত রোববার রাতে বেলপুকুর বাজারে ছাত্রলীগ নেতা মাজেদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তাঁকে হাতুড়িপেটার পাশাপাশি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ নিয়ে যুবলীগ নেতা সুমনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মাজেদুর। এ মামলায় সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওসি বলেন, মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।
মাজেদুর ও সুমনের বাড়ি পুঠিয়ার মোল্লাজামিরা গ্রামে। সুমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন। সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে সুমনের অশ্লীল ভিডিও ফাঁস হয়। পরে ওই নারী মামলা করলেও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। যুবলীগ থেকেও তাঁকে বহিষ্কার করা হয়নি। সুমনের বাবা বদিউজ্জামান বদি বেলপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। ছাত্রলীগ নেতা মাজেদুর রহমান ভোটে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছিলেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল। রোববার রাতে ফেসবুকে করা এক মন্তব্যের জেরে সুমনের নেতৃত্বে মাজেদুরের ওপর হামলা করা হয়।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। সড়কটি নির্মাণে ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ‘মোল্লা ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের মাথাভাঙ্গা থানা-পুলিশ মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে। পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ও বিএসএফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিহত হওয়ার ১৯ ঘণ্টা পর বুধবার দিবাগত রাতে মরদেহ হস্তান্তর করে। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সীমান্তের ২০০ গজ ভেতরে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় ওই যুবক।
১ ঘণ্টা আগে
এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন বিএনপি মনোনীত সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) সমর্থিত প্রার্থী মিজানুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় এক বছর আগে মুক্তার স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। এতে তিন সন্তান নিয়ে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
২ ঘণ্টা আগে