মাথায় ছোট চুল, গালে চাপ দাড়ি, হাত ভর্তি ট্যাটু—বিরাট কোহলি যেন ভারতীয় দলে ‘স্টাইল ও স্মার্টনেসের’ প্রতীক।
কোহলির এই শৈলী শুধু ক্রিকেটারদের মধ্যে নয়, ভক্ত-দর্শকদের মধ্যেও বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে এই লুক দিয়ে আলাদা পরিচয় তৈরি হওয়ায় তরুণ প্রজন্মের ওপর বেশ প্রভাব ফেলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় নকল কোহলিদের দেখা যায়। তাঁরা কোহলি সেজে অভিনয় করেন।
তেমনই কয়েকজনের সঙ্গে এবার এক টেবিলে আড্ডায় মেতেছেন কোহলি। ভক্তদের সঙ্গে তুলেছেন ছবি। ১০ জনের মধ্যে থেকে খুঁজে বের করতে বলেছেন আসল জনকে।
কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারত এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেওয়ায় গতকাল শেষ ম্যাচ না খেলে মুম্বাইয়ে বাড়িতে ফিরেছেন কোহলি। জৈব সুরক্ষাবলয় ছেড়ে বেরিয়ে ১০ দিনের ছুটিতে আছেন এই ব্যাটিং বিস্ময়।
ছুটির আমেজে কোহলি নিজেই সবাইকে ধন্ধে ফেলে দিয়েছেন। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর শেয়ার করা একটি ছবিতে’ ১০ জন কোহলিকে’ চায়ের টেবিলে একসঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছে।
প্রত্যেক কোহলির পরনেই ঘিয়ে রংয়ের স্যুট। এক জন দাঁড়িয়ে রয়েছেন, কারও হাতে চায়ের কাপ, কেউ আবার গল্পে মশগুল। মিল রয়েছে আরও। প্রত্যেকের গালে কোহলি স্টাইলের চাপ দাড়ি। শারীরিক গঠন ও চেহারাও কোহলির মতো! তাঁদের মধ্যে আসল কোহলিও রয়েছেন। ছবিটি দিয়ে ক্যাপশনে ভারতের সদ্য সাবেক অধিনায়ক লিখেছেন, ‘এটিতে অদ্ভুত কী আছে খুঁজুন। আলাদা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করুন।’
ভারতের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচের হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন কোহলি। মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে আবার দলে ফিরবেন তিনি। সব ঠিক থাকলে মোহালিতে খেলবেন ক্যারিয়ারের ১০০ তম টেস্ট।
আড্ডা দিতে আসা ভক্তদের বিশ্বাস, ১০০ তম টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখতে নতুন ইতিহাস গড়বেন তাঁদের প্রিয় ক্রিকেটার। রান করাকে মুড়ি-মুড়কি বানিয়ে ফেলা কোহলিই গত দুই বছর সেঞ্চুরির দেখা পাননি।
কলকাতায় ২০১৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে গোলাপি বলের টেস্টে শেষবার তিন অঙ্ক ছুঁয়েছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনালে স্পেন-ফ্রান্স লড়াইয়ের আগে বিতর্কে জড়িয়েছেন স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয়। ফ্রান্স জাতীয় দলে কোনো ফরাসি খেলোয়াড় নেই—এমন মন্তব্য করে তিনি নিজ দেশ ও ফ্রান্সে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
৪ মিনিট আগে
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখতে কেবল দুই জয় দূরে। যার প্রথম ধাপ আগামীকাল আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে। আর্জেন্টিনা দলের কথা বললে যাঁর নাম আগে খোঁজা হয়, সেই লিওনেল মেসিকে এক নজরে দেখতে গ্যালারিতে ভক্ত-সমর্থকদের ভিড় লেগে থাকে। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের টিকিটের
৩৮ মিনিট আগে
ইউরো ২০২৪ জয়ের পর থেকেই স্পেনকে ঘিরে ছিল নতুন স্বর্ণযুগের প্রত্যাশা। উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলনই যেন দেখা যাচ্ছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের পারফরম্যান্সে। ধারাবাহিকতা, পরিণত ফুটবল, বলের ওপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ আর আক্রমণ-রক্ষণে ভারসাম্য—সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে পরিপূর্ণ দ
২ ঘণ্টা আগে
এক নম্বর দলের সঙ্গে তিন নম্বর দলের ম্যাচ বলে কথা। তাও আবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে ম্যাচ নিয়ে আকর্ষণীয় বার্তা তো থাকবেই। দিদিয়ের দেশম স্পেনকে স্পষ্ট ফেবারিট মানলেও লামিনে ইয়ামালের আশা, লড়াইটা হবে হাড্ডাহাড্ডি।
২ ঘণ্টা আগে