কখনো খেয়াল করেছেন, দাঁত ব্রাশ করার পরও দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে খাবার আটকে থাকে। অনেক সময় দুই দাঁতের মাঝে যে খাদ্যকণা আটকে থাকে, ভালো করে ব্রাশ করার পরও সেই খাদ্যকণা বের হয় না। ফলে দুই দাঁতের মাঝে গর্ত বা ক্যাভিটি হয়, যেটাকে আমরা ডেন্টাল ক্যারিজ বলি। এই ক্যারিজ শুধু এক্স-রে করলে ধরা পড়ে, খালি চোখে দেখা যায় না। তাই আটকে থাকা খাদ্যকণা বের করার জন্য ব্রাশের পাশাপাশি দরকার ডেন্টাল ফ্লস।
ডেন্টাল ফ্লস হলো একরকম পাতলা নাইলন ফিলামেন্টসের বান্ডিল অথবা প্লাস্টিক রিবন, যা দেখতে সুতার মতো। এটা জমে থাকা সূক্ষ্ম খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। নিয়মিত ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ ও মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।
ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের নিয়ম
অনেকে দুই দাঁতের মাঝে আটকে থাকা খাদ্যকণা বের করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাঠি ব্যবহার করেন, যা উচিত নয়। কারণ কাঠির বারবার ব্যবহারের কারণে দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা বেড়ে গিয়ে একধরনের পকেট তৈরি হয়। এটি পেরিওডেন্টাল পকেট নামে পরিচিত। এই পকেটে বারবার খাদ্যকণা ঢুকে দাঁতের পাশাপাশি মাড়িরও মারাত্মক ক্ষতি করে।
যেকোনো ফার্মেসি ও সুপারশপে ডেন্টাল ফ্লস কিনতে পাওয়া যায়। ডেন্টাল ফ্লস সুগন্ধিযুক্ত বা সুগন্ধিবিহীন, মোম মিশ্রিত বা মোমবিহীন হতে পারে। বর্তমানে ফ্লোরাইড মিশ্রিত ডেন্টাল ফ্লস পাওয়া যায়। ফ্লোরাইড মিশ্রিত ডেন্টাল ফ্লস দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করার পাশাপাশি ফ্লোরাইডের প্রয়োজনও পূরণ করে। এ ছাড়া প্লাস্টিকের কিছু ফ্লসও কিনতে পাওয়া যায়।
প্রকারভেদে ডেন্টাল ফ্লসের দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
লেখক: ডেন্টাল সার্জন, সিকদার ডেন্টাল কেয়ার, ঢাকা

জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পদে অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানাকে পদায়ন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তিনি নিপসমের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক...
৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) পদে প্রস্থডন্টিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আওয়াল এবং উপাধ্যক্ষ পদে চিলড্রেন অ্যান্ড প্রিভেনটিভ ডেন্টিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. হায়দার আলী খানকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্য
১০ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে দেশজুড়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬৬ জনে।
১১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও জনগণের চিকিৎসা ব্যয় কমানো, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সাংবাদিকেরা...
১ দিন আগে