গাড়ি দৈনন্দিন জীবনে যে খুব প্রয়োজনীয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার ধনাঢ্যদের কাতারে চোখ বোলালে দেখা যায়, বিলাসবহুল গাড়ি নিজ সংগ্রহে রাখা তাঁদের অনেক শখের একটি।
জার্মানির বিশ্বখ্যাত মার্সিডিস বেঞ্জের নাম শুনলেই আমরা চোখের সামনে বিলাসবহুল একটি দামি গাড়ি দেখতে পাই। আর সেই মার্সিডিসেরই একটি গাড়ি যদি হয় তিন লাখ হীরা দিয়ে খচিত, তাহলে তার দাম কত হবে বলে মনে হয়? বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
ঠিকই পড়েছেন। মার্সিডিস এসএল ৬০০ গাড়িটির একটি বিশেষ সংস্করণ ২০০৭ সালে উন্মোচিত হয় দুবাই মোটর শোয়ে। উদ্দেশ্য ছিল মার্সিডিস এসএল ৫৫০-এর সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করা। বর্তমানে গাড়িটির মালিক সৌদি রাজপরিবারের সদস্য আল ওয়ালিদ বিন তালাল বিন আবদুল আজিজ। তিনি বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর একজন। বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ‘ফোর্বসে’র তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সংগ্রহে রয়েছে গাড়িটি। হীরাখচিত মার্সিডিস এসএল ৬০০-কে বিশ্বের সবচেয়ে দামি মার্সিডিসগুলোর একটি বলে মনে করা হয়। গাড়িতে হীরাখচিত করতে ১৩ জন এক্সপার্ট কাজ করেছেন টানা দুই সপ্তাহ।
হীরার কথা তো অনেক হলো। এবার জেনে নিই গাড়িটির অন্যান্য বিষয়। একই সঙ্গে ভি ৮ ও ভি ১২ ইঞ্জিনবিশিষ্ট গাড়িটি ৬ হাজার সিসির। এটি অনায়াসে মাত্র ৪ দশমিক ৪ সেকেন্ডের মধ্যে ০ থেকে ৬০ মাইল স্পিড তুলতে পারে।
লেখক: ফাউন্ডার ও সিইও, বাংলা অটোমোবাইল স্কুল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘স্কুইরমি অ্যান্ড গ্রাবস’ নামে পরিচিত হান্না ও শেন বারকো দম্পতি। মূলত হান্নার স্বামী শেন একজন প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাঁদের দাম্পত্য অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয়। ব্যতিক্রমী এই দম্পতি এবার তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্বক সুন্দর ও সতেজ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। কিছুদিন পরপর ট্রেন্ডস হয়ে দাঁড়ায় নতুন প্রসাধনী। আর রূপ সচেতনেরা সেই ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে দেন। যাঁরা ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না, তাঁরাও ত্বক আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রতিদিন ব্যবহার করেন ফেসওয়াশ, স্ক্রাব, ময়শ্চারাইজার, ফরসা হওয়ার ক্রিম কিংবা নানাবিধ মেকআপ পণ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
পর্যাপ্ত রোদ, স্বাস্থ্যকর খাবার, চোখ জুড়ানো সবুজ প্রান্তর আর হাঁটাহাঁটির দারুণ সুযোগ। একটি আদর্শ ছুটির দিনে এর চেয়ে বেশি আর কী চাই? মন চাঙা করতে এবং দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে নিজেকে একটু নতুন শক্তি দিতে ঘুরে আসার সেরা গন্তব্য এখন পর্তুগালের রাজধানী লিসবন।
১২ ঘণ্টা আগে
আজকাল ওজন কমানো বা ফিট থাকার কথা উঠলে সবাই একটি পরামর্শই দেন। বলবেন, ‘কার্বোহাইড্রেট পুরোপুরি বাদ দিন, আর বেশি বেশি প্রোটিন খান।’ ডিম, মুরগির মাংস, পনিরের পাশাপাশি প্রোটিন শেক বা প্রোটিন বারের কদর এখন আকাশচুম্বী। অনেকেই ভাবেন, এটি যত বেশি খাওয়া যায়, শরীর ততই ভালো থাকে। আসলেই কি তাই? অতিরিক্ত প্রোটিন
১৪ ঘণ্টা আগে