ফিচার ডেস্ক

তাঁর বই অনূদিত হয়েছে ৩৫টি ভাষায়। সে বই উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে হলিউড চলচ্চিত্র। ৭৩ বছর বয়সী এই লেখকের নাম অ্যামি ট্যান। যুক্তরাষ্ট্রের অকল্যান্ডে একটি চীনা অভিবাসী পরিবারে জন্মেছিলেন তিনি; ১৯৫২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
অ্যামি ট্যানের বিখ্যাত সেই বইয়ের নাম ‘দ্য জয় লাক ক্লাব’। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৯ সালে। আর ১৯৯৩ সালে বইটির কাহিনি নিয়ে একই নামে নির্মিত হয় হলিউড সিনেমা।
অ্যামি ট্যানের লেখায় চীনা-আমেরিকান সাংস্কৃতিক পার্থক্য, মা-সন্তান সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রভাব দেখা যায় গভীরভাবে। তিনি চীনা অভিবাসী পরিবারের সম্পর্ক এবং তাদের আমেরিকান সমাজে অভিযোজনের বিষয়বস্তু নিয়ে লিখতে ভালোবাসেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যানক্রফট লাইব্রেরি তাদের আর্কাইভে ট্যানের ৬২টি ছবি, নোটবুক, চিঠি এবং সাহিত্যিক পাণ্ডুলিপি, শিশুবেলার লেখা থেকে শুরু করে ‘দ্য জয় লাক ক্লাব’-এর মতো বেস্টসেলার উপন্যাসের খসড়া সংরক্ষণ করে রেখেছে।
‘দ্য জয় লাক ক্লাব’-এর প্রায় ৬ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল শুধু নিউইয়র্কে। পরবর্তী সময়ে তিনি একই জনরার আরও পাঁচটি বই লেখেন।
‘দ্য ব্যাকইয়ার্ড বার্ড ক্রনিকলস’ নামে এ পর্যন্ত তাঁর শেষ বই প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

তাঁর বই অনূদিত হয়েছে ৩৫টি ভাষায়। সে বই উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে হলিউড চলচ্চিত্র। ৭৩ বছর বয়সী এই লেখকের নাম অ্যামি ট্যান। যুক্তরাষ্ট্রের অকল্যান্ডে একটি চীনা অভিবাসী পরিবারে জন্মেছিলেন তিনি; ১৯৫২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
অ্যামি ট্যানের বিখ্যাত সেই বইয়ের নাম ‘দ্য জয় লাক ক্লাব’। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৯ সালে। আর ১৯৯৩ সালে বইটির কাহিনি নিয়ে একই নামে নির্মিত হয় হলিউড সিনেমা।
অ্যামি ট্যানের লেখায় চীনা-আমেরিকান সাংস্কৃতিক পার্থক্য, মা-সন্তান সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রভাব দেখা যায় গভীরভাবে। তিনি চীনা অভিবাসী পরিবারের সম্পর্ক এবং তাদের আমেরিকান সমাজে অভিযোজনের বিষয়বস্তু নিয়ে লিখতে ভালোবাসেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যানক্রফট লাইব্রেরি তাদের আর্কাইভে ট্যানের ৬২টি ছবি, নোটবুক, চিঠি এবং সাহিত্যিক পাণ্ডুলিপি, শিশুবেলার লেখা থেকে শুরু করে ‘দ্য জয় লাক ক্লাব’-এর মতো বেস্টসেলার উপন্যাসের খসড়া সংরক্ষণ করে রেখেছে।
‘দ্য জয় লাক ক্লাব’-এর প্রায় ৬ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল শুধু নিউইয়র্কে। পরবর্তী সময়ে তিনি একই জনরার আরও পাঁচটি বই লেখেন।
‘দ্য ব্যাকইয়ার্ড বার্ড ক্রনিকলস’ নামে এ পর্যন্ত তাঁর শেষ বই প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
১ দিন আগে
বই মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে— এই সত্য স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে নূজহাত নাছিম দিয়ার জীবনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি শান্ত, বইপ্রেমী পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন দিয়া। পরিবারে মা-বাবা ও দুই ভাই সব সময় তাঁকে পড়াশোনা এবং সাহিত্যচর্চায় উৎসাহ দিয়ে এসেছেন।
১ দিন আগে
ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষায় থাকা নতুন বছরের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমরা। যুগে যুগে বছরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাল্টেছে ট্রেন্ড। কিন্তু আজও যখন আমরা আধুনিক প্রসাধনশিল্পের দিকে তাকাই, তখন একটি নাম ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—এলিজাবেথ আরডেন। ১৮৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর কানাডার ওন্টারিওতে এক খামারে ফ্লোরেন্স...
১ দিন আগে
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব বড়দিনের কথা মনে হলে কিছু জনপ্রিয় গানের কথা সামনে আসে। জানেন কি, হিমেল হাওয়ার পরশ আর আলোকসজ্জার রোশনাইয়ের মধ্যে যে সুরগুলো আমাদের কানে বাজে, সেগুলো সৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে একদল নারী। তাঁদের লেখা, কণ্ঠ আর সুরের জাদুকরী মিশেলে বড়দিন পেয়েছে এক অনন্য রূপ।...
৭ দিন আগে