
বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
আজ রোববার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এক শোকবার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির শোকবার্তায় বলা হয়, সেলিমা আহমাদের মৃত্যু তাঁর পরিবার, সহকর্মী, ব্যবসায়ী সমাজ এবং নারী উদ্যোক্তা অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
শোকবার্তায় তাঁকে ‘দূরদর্শী উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা এবং বাংলাদেশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পথিকৃৎ কণ্ঠস্বর’ হিসেবে স্মরণ করা হয়।
সেলিমা আহমাদ দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মাতলুব আহমাদের সহধর্মিণী। তিনি নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি। তিনি জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সোনালী ব্যাংকের পরিচালকও পদেও ছিলেন এই নারী উদ্যোক্তা।
নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ব্যবসা খাতে অবদান রাখায় ২০১৪ সালে তিনি ‘অসলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড’ পান।

অক্টোবর, ১৯৫১। হিমাচলের কল্পা অঞ্চলের এক দুর্গম পাহাড়ি গ্রাম। সেখান থেকে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে এক তরুণী তাঁর বৃদ্ধ মাকে নিয়ে এসেছেন ভোটকেন্দ্রে। উদ্দেশ্য ছিল, স্বাধীন ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ।
৩ দিন আগে
রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রুমিং বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি ভয়াবহ রূপ নেয়। কারণ, সেখানে ক্ষমতা, প্রলোভন, গোপনীয়তা ও প্রভাব একসঙ্গে কাজ করে। সম্প্রতি রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের এমন কিছু সংবাদ দেখিয়ে দিয়েছে, গ্রুমিং পরিচিত ও ক্ষমতাধর ব্যক্তির হাতেও ঘটতে পারে।
৩ দিন আগে
প্রশ্ন: একটি স্কুটি কেনার জন্য ঋণের আবেদন করেছি। আমি একটি স্কুলে পড়াই এবং বেতনসংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আট মাস ধরে আমাকে এই লোনের জন্য ঘোরানো হচ্ছে। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়েছি। আমরা তিন বোন এবং আমার বাবা নেই। আমার মা চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। লোনের গ্যারান্টার কাকে করা হলে আমার লোন পাওয়ার
৩ দিন আগে
আজ জাতীয় কন্যা শিশু দিবস। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কন্যাশিশুদের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে অগ্রগতি ও উদ্বেগের এক মিশ্র চিত্র সামনে আসে। বিগত বছরগুলোতে সরকারি নানা উদ্যোগ ও উপবৃত্তির কল্যাণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের ভর্তির হার প্রশংসনীয়ভাবে বেড়েছে এবং লৈঙ্গিক সমতা অর্জিত হয়েছে।
৩ দিন আগে