
জাহানারা ইমাম
কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং একাত্তরের ঘাতক দালালবিরোধী আন্দোলনের নেত্রী জাহানারা ইমাম। ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয় তাঁর নেতৃত্বে। জাহানারা ইমামের জন্ম ১৯২৯ সালের ৩ মে।
সেপটিমা ক্লার্ক
তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকত্ব শিক্ষার পথিকৃৎ সেপটিমা পইনসেট ক্লার্ক। তাঁকে বলা হতো ‘আন্দোলনের জননী’ ও ‘গ্রান্ডমাদার অব দ্য সিভিল রাইটস মুভমেন্ট’। তিনি ছিলেন একজন শিক্ষক ও মানবাধিকারকর্মী। ১৮৯৮ সালের ৩ মে যুক্তরাষ্ট্রের চার্লেস্টোনে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
ইউজেনি ক্লার্ক
হাঙরের আচরণ এবং টেট্রাওডন্টিফর্মিস বর্গের মাছ নিয়ে গবেষণার জন্য পরিচিত ছিলেন ইউজেনি ক্লার্ক। যাকে বলা হয় দ্য শার্ক লেডি। কেপ হ্যাজ ল্যাবরেটরিতে ক্লার্ক হাঙর এবং অন্যান্য মাছের ওপর আচরণগত, প্রজননমূলক এবং শারীরবৃত্তীয় বেশ কয়েকটি পরীক্ষা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। ১৯২২ সালের ৪ মে নিউইয়র্ক সিটিতে জন্ম তাঁর।
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবে সশস্ত্র আক্রমণে ১৫ জনের একটি বিপ্লবী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য পরিচিত প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্ম হয়েছিল তাঁর।

ইরানের ধূলিধূসরিত রাজপথ আজ শুধু প্রতিবাদের সাক্ষী নয়। বর্তমান আন্দোলনের জের ধরে একে মানুষের রক্তেভেজা ইতিহাসের দলিলও বলা চলে। ২০২৬ সালের শুরুতে ইরানের ইস্পাহান, গোরগান এবং তেহরানের রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে স্লোগানে। এই আন্দোলনে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছেন নারীরা।
১ দিন আগে
প্রশ্ন: আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাড়িতে থাকি। আব্বু, আম্মু অন্য জেলায় চাকরি করেন, ভাইয়া ঢাকায় পড়াশোনা করে। দাদিদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কলেজে যাই, বাসায় আসি, রান্না করি, বাসার অন্যান্য কাজ করি, ঘুমাই। সামনে আমার পরীক্ষা, পড়াশোনায় ফোকাস রাখার চেষ্টা করি।
১ দিন আগে
নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার প্রশ্নে বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিবিএস, ইউএনএফপিএ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ঘরে-বাইরে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ঘরের ভেতরে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
১ দিন আগে
দেড় শ বছর আগে একজন নারীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা ছিল সমাজের চোখে এক বিশাল ধৃষ্টতা। সেই ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন সোফিয়া জ্যাকস-ব্লেক। তিনি কঠিন সময়েও পিছু হটেননি। অপমানকে পুঁজি করে জনমত গঠন করে প্রমাণ করেছিলেন, চিকিৎসা পেশায় নারীদের প্রয়োজনীয়তা কতটা জরুরি।
১ দিন আগে