আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের ক্যাম্পেইনের প্রতিপাদ্য ‘ইন্সপায়ার ইনক্লুশন’। এবার সমাজের সর্বক্ষেত্রে বৈচিত্র্য ও ক্ষমতায়নের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ বছর নারী দিবসের প্রতিপাদ্যে লিঙ্গসমতা অর্জন করতে সবার অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরা হয়েছে। সব নারীকে মূল্যবান ও সম্মানিত করে তোলার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রান্তিক নারীসহ প্রত্যেক নারীকে জীবনের সর্বস্তরের নারীদের অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি ও অবদানকে স্বীকৃতি দিতে উৎসাহিত করছে এবারের প্রতিপাদ্য ইন্সপায়ার ইনক্লুশন। প্রতিপাদ্যটির মূল স্তম্ভগুলোর একটি হলো, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে বৈচিত্র্যের প্রচার।
নারীরা নেতৃত্বের ভূমিকা খুঁজতে গিয়ে আজও বাধার সম্মুখীন হন। শিক্ষা ও সচেতনতা নারীদের অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার মাধ্যমে নারীরা তাঁদের বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম হবেন। ফলে সেখানে সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।
প্রতিবন্ধকতা ভেঙে একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে, আগামী প্রজন্মের জন্য আরও ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলাই এবারের নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য।

ইরানের ধূলিধূসরিত রাজপথ আজ শুধু প্রতিবাদের সাক্ষী নয়। বর্তমান আন্দোলনের জের ধরে একে মানুষের রক্তেভেজা ইতিহাসের দলিলও বলা চলে। ২০২৬ সালের শুরুতে ইরানের ইস্পাহান, গোরগান এবং তেহরানের রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে স্লোগানে। এই আন্দোলনে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছেন নারীরা।
২ দিন আগে
প্রশ্ন: আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাড়িতে থাকি। আব্বু, আম্মু অন্য জেলায় চাকরি করেন, ভাইয়া ঢাকায় পড়াশোনা করে। দাদিদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কলেজে যাই, বাসায় আসি, রান্না করি, বাসার অন্যান্য কাজ করি, ঘুমাই। সামনে আমার পরীক্ষা, পড়াশোনায় ফোকাস রাখার চেষ্টা করি।
২ দিন আগে
নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার প্রশ্নে বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিবিএস, ইউএনএফপিএ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ঘরে-বাইরে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ঘরের ভেতরে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
২ দিন আগে
দেড় শ বছর আগে একজন নারীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা ছিল সমাজের চোখে এক বিশাল ধৃষ্টতা। সেই ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন সোফিয়া জ্যাকস-ব্লেক। তিনি কঠিন সময়েও পিছু হটেননি। অপমানকে পুঁজি করে জনমত গঠন করে প্রমাণ করেছিলেন, চিকিৎসা পেশায় নারীদের প্রয়োজনীয়তা কতটা জরুরি।
২ দিন আগে