ডেস্ক রিপোর্ট

ষোলো শতকের কথা। স্পেনের ইতিহাসে সে সময় খুঁজে পাওয়া যাবে এক অভিমানী রাজকন্যার বিদ্রোহী হয়ে ওঠার গল্প। আধুনিককালে তিনি একই সঙ্গে নন্দিত ও নিন্দিত। স্পেনের পাইনালা শহরের রাজকন্যা ছিলেন লা মালিঞ্চে। তাঁর জন্মকাল ধরা হয় ১৫০০ থেকে ১৫০৫ সালের মধ্যে। তাঁর আরও দুটি নাম ছিল—মালিনালি এবং ডোনা মারিনা। এই রাজকন্যা ছিলেন ভীষণ দুরন্ত। কিন্তু এক দারুণ গুণ ছিল তাঁর। রাজকন্যা মালিঞ্চের আয়ত্তে ছিল নাহুয়াটল ও মায়া ভাষা। এই দুই ভাষায় সমানতালে কথা বলতে পারতেন। তবে এর পেছনে ছিল এক করুণ ইতিহাস।
রাজা মারা যাওয়ার পর রানি বিয়ে করেন অন্য এক অঞ্চলের রাজাকে। সেখানে জন্ম নেওয়া ছেলেকে উত্তরাধিকারের আসনে বসাতে মালিঞ্চেকে রানি বিক্রি করে দেন ক্রীতদাসী হিসেবে। সেখানে তাঁর ধর্ম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ডোনা মারিনা। সেই থেকে স্বজাতির ওপর অভিমান জন্মে তাঁর। হয়ে ওঠেন বিদ্রোহী। মেক্সিকো বিজয়ের সময় স্প্যানিশ বিজয়ী হার্নান কর্টেসের দোভাষী ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেন মালিঞ্চে। অ্যাজটেক সাম্রাজ্যের স্পেন বিজয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন শুধু ভাষা জানার জন্য। সমালোচিত হলেও তাঁর কাজ, সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণ ও পরিচয়ের প্রতীক হয়ে তিনি রয়ে গেছেন ইতিহাসে। ১৫২৯ সালে রাজকন্যা মালিঞ্চে মারা যান।
মালিঞ্চের মতো রাজকন্যা হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি মার্কিন নারী সাকাগাওয়েয়ার। কিন্তু তিনি ছিলেন এগেডিকা আদিবাসী গোষ্ঠীর মানুষ। সাকাগাওয়েয়ার জন্ম হয়েছিল ১৭৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহতে। দক্ষিণ ডাকোটার কেনেন শহরে তিনি মারা যান ১৮১২ সালে, মাত্র ২৪ বছর বয়সে।
ফ্রান্সের কাছ থেকে ১৮০৩ সালে লুইজিয়ানা কিনে নেয়। নতুন সেই অঞ্চলের মানচিত্র তৈরি, ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় অন্যান্য জাতির আগে সে দুর্গম অঞ্চলে মার্কিনদের উপস্থিতি নিশ্চিত এবং নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়ে। সে জন্য সে সময়কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসনের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি দল লুইজিয়ানা অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে। ক্যাপ্টেন মেরিওয়েদার লুইস ও তাঁর বন্ধু সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট উইলিয়াম ক্লার্ক সেই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৮০৪ সালের মে মাসে এই অভিযান শুরু হয়ে ১৮০৬ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়। কিন্তু সেই অভিযান সফল হয়েছিল মূলত এক নারী দোভাষী ও গাইডের জন্য। তাঁর নাম সাকাগাওয়েয়া।
সাকাগাওয়েয়া যুক্তরাষ্ট্রের সে সময়কার বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেছিলেন মূলত তাদের ভাষা জানার জন্য। সে যোগাযোগের সূত্র ধরে বুনো পশ্চিমের অপরিচিত ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে লুইজিয়ানা যাওয়ার নতুন পথ তৈরি করতে পেরেছিল আমেরিকান সেনারা। কিন্তু সাকাগাওয়েয়ার জন্য কাজটি খুব সহজ ছিল না। যেসব উপজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছিলেন, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো তাঁকে বন্দী করে নির্যাতন চালিয়েছিল। তারপরও দমে যাননি সাকাগাওয়েয়া। তিনি সহায়তা করেছিলেন নিজের দেশের সেনাবাহিনীকে।

ষোলো শতকের কথা। স্পেনের ইতিহাসে সে সময় খুঁজে পাওয়া যাবে এক অভিমানী রাজকন্যার বিদ্রোহী হয়ে ওঠার গল্প। আধুনিককালে তিনি একই সঙ্গে নন্দিত ও নিন্দিত। স্পেনের পাইনালা শহরের রাজকন্যা ছিলেন লা মালিঞ্চে। তাঁর জন্মকাল ধরা হয় ১৫০০ থেকে ১৫০৫ সালের মধ্যে। তাঁর আরও দুটি নাম ছিল—মালিনালি এবং ডোনা মারিনা। এই রাজকন্যা ছিলেন ভীষণ দুরন্ত। কিন্তু এক দারুণ গুণ ছিল তাঁর। রাজকন্যা মালিঞ্চের আয়ত্তে ছিল নাহুয়াটল ও মায়া ভাষা। এই দুই ভাষায় সমানতালে কথা বলতে পারতেন। তবে এর পেছনে ছিল এক করুণ ইতিহাস।
রাজা মারা যাওয়ার পর রানি বিয়ে করেন অন্য এক অঞ্চলের রাজাকে। সেখানে জন্ম নেওয়া ছেলেকে উত্তরাধিকারের আসনে বসাতে মালিঞ্চেকে রানি বিক্রি করে দেন ক্রীতদাসী হিসেবে। সেখানে তাঁর ধর্ম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ডোনা মারিনা। সেই থেকে স্বজাতির ওপর অভিমান জন্মে তাঁর। হয়ে ওঠেন বিদ্রোহী। মেক্সিকো বিজয়ের সময় স্প্যানিশ বিজয়ী হার্নান কর্টেসের দোভাষী ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেন মালিঞ্চে। অ্যাজটেক সাম্রাজ্যের স্পেন বিজয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন শুধু ভাষা জানার জন্য। সমালোচিত হলেও তাঁর কাজ, সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণ ও পরিচয়ের প্রতীক হয়ে তিনি রয়ে গেছেন ইতিহাসে। ১৫২৯ সালে রাজকন্যা মালিঞ্চে মারা যান।
মালিঞ্চের মতো রাজকন্যা হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি মার্কিন নারী সাকাগাওয়েয়ার। কিন্তু তিনি ছিলেন এগেডিকা আদিবাসী গোষ্ঠীর মানুষ। সাকাগাওয়েয়ার জন্ম হয়েছিল ১৭৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহতে। দক্ষিণ ডাকোটার কেনেন শহরে তিনি মারা যান ১৮১২ সালে, মাত্র ২৪ বছর বয়সে।
ফ্রান্সের কাছ থেকে ১৮০৩ সালে লুইজিয়ানা কিনে নেয়। নতুন সেই অঞ্চলের মানচিত্র তৈরি, ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় অন্যান্য জাতির আগে সে দুর্গম অঞ্চলে মার্কিনদের উপস্থিতি নিশ্চিত এবং নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়ে। সে জন্য সে সময়কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসনের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি দল লুইজিয়ানা অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে। ক্যাপ্টেন মেরিওয়েদার লুইস ও তাঁর বন্ধু সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট উইলিয়াম ক্লার্ক সেই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৮০৪ সালের মে মাসে এই অভিযান শুরু হয়ে ১৮০৬ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়। কিন্তু সেই অভিযান সফল হয়েছিল মূলত এক নারী দোভাষী ও গাইডের জন্য। তাঁর নাম সাকাগাওয়েয়া।
সাকাগাওয়েয়া যুক্তরাষ্ট্রের সে সময়কার বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেছিলেন মূলত তাদের ভাষা জানার জন্য। সে যোগাযোগের সূত্র ধরে বুনো পশ্চিমের অপরিচিত ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে লুইজিয়ানা যাওয়ার নতুন পথ তৈরি করতে পেরেছিল আমেরিকান সেনারা। কিন্তু সাকাগাওয়েয়ার জন্য কাজটি খুব সহজ ছিল না। যেসব উপজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছিলেন, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো তাঁকে বন্দী করে নির্যাতন চালিয়েছিল। তারপরও দমে যাননি সাকাগাওয়েয়া। তিনি সহায়তা করেছিলেন নিজের দেশের সেনাবাহিনীকে।

সত্তর দশকের তেহরান ছিল আজকের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সেই ভিন্ন তেহরানের এক প্রাণচঞ্চল কিশোরী ছিলেন মেরিনা। যে কিশোরী সমুদ্রসৈকতে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়াতে, বন্ধুদের সঙ্গে গানের তালে নেচে বেড়াতে পছন্দ করতেন। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব মেরিনার রঙিন শৈশব নিমেষে ধূসর করে দেয়। ইরানি বংশোদ্ভূত কানাডীয়
১৬ মিনিট আগে
দীর্ঘ ১৪ বছরের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পর লাইবেরিয়া তখন ধ্বংসস্তূপ। সে সময় দেশটির পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখেন অ্যালেন জনসন সিরলিফ। ২০০৬ সালে তিনি আফ্রিকা মহাদেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে একটি
৩৫ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারী ও পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যার অনুপাতে ‘বিশাল ভারসাম্যহীন চিত্র’ ফুটে উঠেছে বলে জানিয়েছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি। নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ‘আশানুরূপ না হওয়ায়’ ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।
৮ ঘণ্টা আগে
যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
৭ দিন আগে