সম্প্রতি সাজেদা ফাউন্ডেশন রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আলোকিতে ‘সুদিন সত্তা ২.০’ নামে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এতে তুলে ধরা হয় রাজধানীর বেরাইদ অঞ্চলের অধিবাসী দলিত সম্প্রদায়ের কারুকলা ও হস্তশিল্প।
অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল বেরাইদ ঋষিপাড়ার বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে ফ্যাশন শো। শোতে ব্যবহার করা বাহারি পোশাকগুলো ছিল সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর দক্ষ কারিগরদের নিজ হাতে নকশা ও তৈরি করা। শো শেষে আয়োজনের পণ্যগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ফারুক সোবহান বলেন, সুদিন সত্তা ২.০ কেবল একটি সাধারণ অনুষ্ঠান নয়। এটি সবার জন্য কল্যাণকর ভবিষ্যৎ গঠনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক সার্থক মিলনমেলা।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী জাহিদা ফিজ্জা কবির জানান, ‘সুদিন’ কর্মসূচিটি মূলত পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করছে।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের সুদিন কর্মসূচির মাধ্যমে যাঁদের জীবন ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম বেরাইদ ঋষিপাড়ার মলি রানী দাশ। প্রকল্পটির কার্যক্রম ও উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানিয়ে মলি বলেন, ‘একটা সময় দৈনন্দিন জীবনযাপন চালিয়ে নেওয়াও আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু হস্তশিল্পের এই দক্ষতা অর্জন এখন থেকে আমার পরিবারের ভরণপোষণের আরও উন্নত সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আত্মবিশ্বাসী।’

কেউ তাঁকে চাঁদ এনে দেয়নি, বা চাঁদ এনে দেবে বলে প্রোপোজও করেনি! বরং তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল পৃথিবীর সেই নিষ্ঠুর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি—যা অদম্য, ক্ষমাহীন এবং এমন এক শক্তি যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নারীদের স্বপ্নকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
৮ দিন আগে
ব্যাপারটি বেশ গোলমেলে। যখন বাগানভরা ফুল থাকে শীতকালে এবং বেশির ভাগ মানুষ বাণিজ্যিক বাগান থেকে ফুল বিক্রি করেন, তখন তিনি বাগানে ফুটে থাকা ফুলের ছবি তোলেন, কিংবা ভিডিও করেন; কিন্তু বিক্রি করেন না। বসন্ত পেরিয়ে বাগান যখন উঠে যাওয়ার কথা পরবর্তী মৌসুমের ফুল চাষের জন্য প্রস্তুত হতে, তখনই তাঁর ব্যবসা শুরু
১২ দিন আগে
কেন্টের সেভেনওকসে গড়ে ওঠা একটা রেস্তোরাঁ শয়েন শয়েন। এর মূল ভিত্তি সিয়েরা লিওনের স্বাদ আর আভিজাত্যের মিশেল। যাঁর হাত ধরে এই হেঁশেলের উনুনে আগুন জ্বলে, তাঁর নাম মারিয়া ব্র্যাডফোর্ড। তিনি অবশ্য নিজের কাজকে ব্যাখ্যা করেন অন্যভাবে। মারিয়া বলেন, ‘শয়েন শয়েন হলো ২০১৬ সালে আমার জন্ম দেওয়া এক ভালোবাসার সন্ত
১২ দিন আগে
গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১৯০ জন নারী এবং কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, এই ১৯০ জনের মধ্যে নারী ১১৯ এবং কন্যাশিশু ৭১।
১২ দিন আগে