আন্তর্জাতিক নারী
ফিচার ডেস্ক

স্কুল পালিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে আন্তর্জাতিক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠা গ্রেটা থুনবার্গের কথা মনে পড়ে? ম্যাডলিন নামের জাহাজে আরও কয়েকজন সঙ্গীসহ তিনি ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলেন গাজায়। ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ সেই জাহাজ আটকে গ্রেটাসহ ১২ জন মানবাধিকারকর্মীকে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়। দেশটি আটক ব্যক্তিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে গতকাল মঙ্গলবার তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্রান্সগামী বিমানে তুলে দিয়েছে।
গত ২ মার্চ থেকে টানা ১১ সপ্তাহ গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে গাজায় সীমিত আকারে ত্রাণ বিতরণের সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্বে ছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রসমর্থিত বিতর্কিত সংগঠন গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন। এমন পরিস্থিতিতে গাজায় অবরোধ ভাঙতে ১ জুন সিসিলির কাতানিয়া শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন পরিচালিত জাহাজ ম্যাডলিন।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ম্যাডলিনের যাত্রা ‘মানবিক সহায়তার’ জন্য নয়; বরং ‘গ্ল্যামার, প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি (সেলফি) ছড়িয়ে নজর কাড়ার’ জন্য। গাজা অভিমুখে ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে গ্রেটা জানিয়েছিলেন, ‘২০ লাখ মানুষকে পরিকল্পিতভাবে অনাহারে রাখা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার লড়াইয়ে শামিল হওয়া প্রত্যেক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।’
২০২৩ সালে গাজায় চলমান সংঘাতের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন গ্রেটা। এ বিষয়ে তিনি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার সুইডেনের মাধ্যমে তিনি ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে’ নিজের মতপ্রকাশ করেছিলেন। ফিলিস্তিনের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কথা বলায় সে বছর গ্রেটার স্কুল কারিকুলাম বাতিল করেছে ইসরায়েলের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলের ১ হাজার ৪০০ নিরীহ মানুষকে হত্যায় হামাসকে দায়ী করে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, গ্রেটা থুনবার্গ হামাসের পক্ষ নিয়ে নৈতিকতা হারিয়েছেন। এমন ব্যক্তি ইসরায়েলি শিক্ষার্থীদের জন্য রোল মডেল হতে পারেন না।

গত ৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভে অংশ নিলে সুইডিশ পরিবেশ ও জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ গ্রেপ্তার হন। তবে পুলিশ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের এক মুখপাত্র গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে থুনবার্গ রয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি একস্ট্রাব্লাডে’তে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ফিলিস্তিনিদের ঐতিহ্যবাহী কালো ও সাদা রঙের কেফিয়াহ কাঁধে জড়িয়েছিলেন।
গ্রেটা ২০১৮ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে সুইডিশ পার্লামেন্টের বাইরে একা ধর্মঘট করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রতি শুক্রবার স্কুলে না গিয়ে ‘জলবায়ুর জন্য স্কুল ধর্মঘট’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে বসতেন। এই পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে তরুণদের অনুপ্রাণিত করে। পরবর্তীকালে তা বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয় এবং ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। ২০১৯ সালে জাতিসংঘে তাঁর ‘হাউ দেয়ার ইউ’ বক্তব্য বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে।
গ্রেটা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানোর পক্ষে এবং বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারণের দাবি জানান। গ্রেটার কর্মতৎপরতায় ধারণা করা যায়, তেমন দাবি এবারও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে—গাজার পক্ষে।
সূত্র: বিবিসি, জেরুজালেম পোস্ট

স্কুল পালিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে আন্তর্জাতিক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠা গ্রেটা থুনবার্গের কথা মনে পড়ে? ম্যাডলিন নামের জাহাজে আরও কয়েকজন সঙ্গীসহ তিনি ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলেন গাজায়। ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ সেই জাহাজ আটকে গ্রেটাসহ ১২ জন মানবাধিকারকর্মীকে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়। দেশটি আটক ব্যক্তিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে গতকাল মঙ্গলবার তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্রান্সগামী বিমানে তুলে দিয়েছে।
গত ২ মার্চ থেকে টানা ১১ সপ্তাহ গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে গাজায় সীমিত আকারে ত্রাণ বিতরণের সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্বে ছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রসমর্থিত বিতর্কিত সংগঠন গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন। এমন পরিস্থিতিতে গাজায় অবরোধ ভাঙতে ১ জুন সিসিলির কাতানিয়া শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন পরিচালিত জাহাজ ম্যাডলিন।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ম্যাডলিনের যাত্রা ‘মানবিক সহায়তার’ জন্য নয়; বরং ‘গ্ল্যামার, প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি (সেলফি) ছড়িয়ে নজর কাড়ার’ জন্য। গাজা অভিমুখে ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে গ্রেটা জানিয়েছিলেন, ‘২০ লাখ মানুষকে পরিকল্পিতভাবে অনাহারে রাখা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার লড়াইয়ে শামিল হওয়া প্রত্যেক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।’
২০২৩ সালে গাজায় চলমান সংঘাতের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন গ্রেটা। এ বিষয়ে তিনি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার সুইডেনের মাধ্যমে তিনি ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে’ নিজের মতপ্রকাশ করেছিলেন। ফিলিস্তিনের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কথা বলায় সে বছর গ্রেটার স্কুল কারিকুলাম বাতিল করেছে ইসরায়েলের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলের ১ হাজার ৪০০ নিরীহ মানুষকে হত্যায় হামাসকে দায়ী করে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, গ্রেটা থুনবার্গ হামাসের পক্ষ নিয়ে নৈতিকতা হারিয়েছেন। এমন ব্যক্তি ইসরায়েলি শিক্ষার্থীদের জন্য রোল মডেল হতে পারেন না।

গত ৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভে অংশ নিলে সুইডিশ পরিবেশ ও জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ গ্রেপ্তার হন। তবে পুলিশ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের এক মুখপাত্র গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে থুনবার্গ রয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি একস্ট্রাব্লাডে’তে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ফিলিস্তিনিদের ঐতিহ্যবাহী কালো ও সাদা রঙের কেফিয়াহ কাঁধে জড়িয়েছিলেন।
গ্রেটা ২০১৮ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে সুইডিশ পার্লামেন্টের বাইরে একা ধর্মঘট করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রতি শুক্রবার স্কুলে না গিয়ে ‘জলবায়ুর জন্য স্কুল ধর্মঘট’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে বসতেন। এই পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে তরুণদের অনুপ্রাণিত করে। পরবর্তীকালে তা বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয় এবং ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। ২০১৯ সালে জাতিসংঘে তাঁর ‘হাউ দেয়ার ইউ’ বক্তব্য বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে।
গ্রেটা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানোর পক্ষে এবং বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারণের দাবি জানান। গ্রেটার কর্মতৎপরতায় ধারণা করা যায়, তেমন দাবি এবারও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে—গাজার পক্ষে।
সূত্র: বিবিসি, জেরুজালেম পোস্ট

লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
১১ ঘণ্টা আগে
সত্তর দশকের তেহরান ছিল আজকের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সেই ভিন্ন তেহরানের এক প্রাণচঞ্চল কিশোরী ছিলেন মেরিনা। যে কিশোরী সমুদ্রসৈকতে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়াতে, বন্ধুদের সঙ্গে গানের তালে নেচে বেড়াতে পছন্দ করতেন। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব মেরিনার রঙিন শৈশব নিমেষে ধূসর করে দেয়। ইরানি বংশোদ্ভূত কানাডীয়
১২ ঘণ্টা আগে