ডেস্ক রিপোর্ট

তাঁর ছদ্মনাম ‘জনৈক বঙ্গ মহিলা’। এই নামে তাঁকে অনেকে না চিনলেও ‘করিতে পারি না কাজ/সদা ভয় সদা লাজ’ তাঁর অন্তত এ কবিতাটি বাংলা ভাষার বেশির ভাগ মানুষ পড়েছেন বা শুনেছেন। জনৈক বঙ্গ মহিলা আসলে কামিনী রায়। ১৮৮৯ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাঁর লেখা প্রথম কবিতার বই ‘আলো ও ছায়া’ প্রকাশিত হয়। কিন্তু তিনি কবিতা লেখা শুরু করেছিলেন ৮ বছর বয়স থেকে। যে যুগে মেয়েদের শিক্ষাও বিরল ঘটনা ছিল, সে সময়ে কামিনী রায় ছিলেন নারীবাদে বিশ্বাসী।
কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে ১৮৮৬ সালে ভারতের প্রথম নারী হিসেবে সংস্কৃত ভাষায় সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন কামিনী রায়। সে বছরেই তিনি বেথুন কলেজের স্কুল বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ওই কলেজে অধ্যাপনাও করেছিলেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি সাংস্কৃতিক ও নারীকল্যাণমূলক কাজে জড়িত ছিলেন। তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সাহিত্য শাখার সভানেত্রী ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর সহসভাপতি ছিলেন।
১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর জন্মেছিলেন কামিনী রায়। তাঁর কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়ে সিভিলিয়ান কেদারনাথ রায় তাঁকে বিয়ে করেন। কিন্তু অল্প বয়সে কেদারনাথ রায়ের মৃত্যু কামিনী রায়ের ব্যক্তিজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সে দুঃখবোধ প্রকাশ পায় তাঁর কবিতায়। তিনি মারা যান ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।

তাঁর ছদ্মনাম ‘জনৈক বঙ্গ মহিলা’। এই নামে তাঁকে অনেকে না চিনলেও ‘করিতে পারি না কাজ/সদা ভয় সদা লাজ’ তাঁর অন্তত এ কবিতাটি বাংলা ভাষার বেশির ভাগ মানুষ পড়েছেন বা শুনেছেন। জনৈক বঙ্গ মহিলা আসলে কামিনী রায়। ১৮৮৯ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাঁর লেখা প্রথম কবিতার বই ‘আলো ও ছায়া’ প্রকাশিত হয়। কিন্তু তিনি কবিতা লেখা শুরু করেছিলেন ৮ বছর বয়স থেকে। যে যুগে মেয়েদের শিক্ষাও বিরল ঘটনা ছিল, সে সময়ে কামিনী রায় ছিলেন নারীবাদে বিশ্বাসী।
কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে ১৮৮৬ সালে ভারতের প্রথম নারী হিসেবে সংস্কৃত ভাষায় সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন কামিনী রায়। সে বছরেই তিনি বেথুন কলেজের স্কুল বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ওই কলেজে অধ্যাপনাও করেছিলেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি সাংস্কৃতিক ও নারীকল্যাণমূলক কাজে জড়িত ছিলেন। তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সাহিত্য শাখার সভানেত্রী ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর সহসভাপতি ছিলেন।
১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর জন্মেছিলেন কামিনী রায়। তাঁর কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়ে সিভিলিয়ান কেদারনাথ রায় তাঁকে বিয়ে করেন। কিন্তু অল্প বয়সে কেদারনাথ রায়ের মৃত্যু কামিনী রায়ের ব্যক্তিজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সে দুঃখবোধ প্রকাশ পায় তাঁর কবিতায়। তিনি মারা যান ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারী ও পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যার অনুপাতে ‘বিশাল ভারসাম্যহীন চিত্র’ ফুটে উঠেছে বলে জানিয়েছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি। নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ‘আশানুরূপ না হওয়ায়’ ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।
২ ঘণ্টা আগে
যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
৭ দিন আগে
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
৭ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
৭ দিন আগে