১. ‘সৃষ্টিকর্তা যুদ্ধ সৃষ্টি করেছেন, যাতে মার্কিনরা ভূগোল শিখতে পারে।’
মার্কিন সাহিত্যিক মার্ক টোয়েন (৩০ নভেম্বর, ১৮৩৫—২১ এপ্রিল, ১৯১০)। ছবি: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার সৌজন্যে
২. ‘ভালো করে শুনে রাখুন, এমন কোনো যুদ্ধ নেই, যা সব যুদ্ধ শেষ করতে পারে।’
জাপানি ঔপন্যাসিক হারুকি মুরাকামি (১২ জানুয়ারি, ১৯৪৯— )। ছবি: রয়টার্স
৩. ‘সৈন্যরা একে অপরকে হত্যা করে বিশ্বের সমস্যার সমাধান কীভাবে করতে চায়?’
মার্কিন কার্টুনিস্ট ও রম্য লেখক বিল বয়েড ওয়াটারসন (৫ জুলাই, ১৯৫৮— )। ছবি: ইউটিউব থেকে নেওয়া
৪. ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কীভাবে সম্ভব, যেখানে যুদ্ধ নিজেই এক ধরনের সন্ত্রাসবাদ।’
মার্কিন ইতিহাসবিদ হাওয়ার্ড জিন (২৪ আগস্ট, ১৯২২—২৭ জানুয়ারি, ২০১০)। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনসের সৌজন্যে
৫. ‘আগের যুদ্ধেও কেউ জিততে পারেনি, পরের যুদ্ধেও কেউ জিতবে না।’
সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি এলেনর রুজভেল্ট (১১ অক্টোবর, ১৮৮৪—৭ নভেম্বর, ১৯৬২)। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনসের সৌজন্যে

ভারতে এক যুবকের অদ্ভুত অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, একটি রানি মৌমাছি তাঁর প্যান্টে বসে পড়ার পর হাজার হাজার মৌমাছি তাঁকে ঘিরে ফেলে। সম্ভাব্য বিপদের মুখে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট সম্পূর্ণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং শেষ পর্যন্ত কোনো হুলের আঘাত...
৫ দিন আগে
আচ্ছা বলুন তো, একজন ভারতীয় ‘চাচা’কে কীভাবে চিনবেন। তাঁকে চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো তাঁর মুখের এক চেনা বাক্য—‘আমাকে বলতে দাও/দিন।’ এর ঠিক পরপরই তিনি একটি লম্বা বক্তব্য দেওয়া শুরু করবেন। তাঁর বক্তব্যের বিষয়বস্তু হবে—দেশের আসলে কোথায় সমস্যা বা কিসের অভাব।
৫ দিন আগে
বিমানবন্দরের স্ক্যানার ভুলবশত মসলাকে হেরোইন হিসেবে শনাক্ত করায় টানা ৫৭ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে ভারতের এক ব্যবসায়ীকে। পরে আদালত তাঁকে প্রায় ৯ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১৩ দিন আগে
বাংলাদেশে এক অদ্ভুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তারকাকে ঘিরে শোরগোল তৈরি হয়েছে। তবে এই তারকা কোনো অভিনেতা বা গায়ক নয়, বরং সোনালি চুলওয়ালা এক অ্যালবিনো মহিষ। কয়েক দিনের মধ্যেই কোরবানির জন্য জবাই হওয়ার কথা এই মহিষটির। কিন্তু তার আগেই এটিকে একনজর দেখতে আর ছবি তুলতে ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ।
১৬ দিন আগে