
বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, জলাধার নষ্ট হওয়া এবং পানির স্তর নেমে যাওয়ায় সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে খুলনায়। জেলার কয়রা, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলায় পানির স্তর ২০ ফুট নিচে নেমে গেছে। একদিকে প্রচণ্ড গরম, অপর দিকে খাবার পানির অভাবের কারণে সেখানকার মানুষদের নিদারুণ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।

৩২ লাখ মানুষের জেলা কিশোরগঞ্জ। জেলাজুড়ে সরকারি সুপেয় পানির কল বা টিউবওয়েল আছে ১৫ হাজার। সরকারি হিসেবে, এই টিউবওয়েলের বিপরীতে সুবিধাভোগী পরিবারের সংখ্যা মাত্র দেড় লাখ। ফলে গ্রামাঞ্চলের একটা বিরাট জনগোষ্ঠীকে এখনো বাধ্য হয়েই নদী, হাওর ও পুকুরের পানির ওপর নির্ভর করতে হয়...

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় অবৈধ সেচপাম্পের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিক হারে নিচে নেমে গেছে। এতে ওই উপজেলার পাঁচটি এলাকার প্রায় ১ লাখ ৮১ হাজার মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

নদীবেষ্টিত এলাকা পটুয়াখালী পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌর কর্তৃপক্ষের সঞ্চালন লাইনের পানির ওপর নির্ভরশীল হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে দিন দিন তীব্র হচ্ছে পানির সংকট।