
‘আমরা কোনো সংখ্যার সিন্ডিকেটই চাই না। দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য সমান ও উন্মুক্ত সুযোগ থাকতে হবে। নেপাল, পাকিস্তান বা মিয়ানমারের ক্ষেত্রে এ ধরনের কাঠামো করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশের জন্য করা চুক্তিটি পর্যালোচনা ও সংশোধন করা প্রয়োজন।’

প্রতিবছর দেশের শ্রমবাজারে যোগ হচ্ছে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ মানুষ। এই বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী উন্নয়নের সবচেয়ে বড় শক্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শিল্পের প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী মিলছে না, আবার শিক্ষিত তরুণদের একটি অংশও কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারছে না।

অর্থনীতি চাঙা করতে এবং শ্রমবাজারের ঘাটতি পূরণ করতে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ অনিয়মিত বা অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দেওয়ার একটি বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে স্পেনের সরকার। মূলত তরুণ কর্মী বাহিনীর সরবরাহ বাড়িয়ে দেশের বৃদ্ধ হতে থাকা জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার। বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি টেকনিশিয়ান ও ওয়েল্ডিং খাতে বাংলাদেশি কর্মী নিতে চান বলে জানিয়েছেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।