
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানব পাচার শুধু একজন মানুষের স্বাধীনতা ও মর্যাদাকেই ধ্বংস করে না, এটি সমাজের ভিত্তিকেও আঘাত করে। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা তৈরিতে সরকার কাজ করছে।

মানব পাচারের মতো অপরাধ প্রতিরোধে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি শিক্ষার বিকাশ ঘটানো প্রয়োজন। দেশের মানুষকে একটি ন্যূনতম শিক্ষার ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে, যাতে তৃণমূলের মানুষও প্রয়োজনের সময় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। মানব পাচার প্রতিরোধে সমাজে আইনের শাসন

উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কান্তনগর নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মাহামুদুল সরকারের মাধ্যমে গাড়িচালকের চাকরিতে পাঁচ লাখ টাকায় চুক্তিতে গত ১ জানুয়ারি সৌদি আরবে যান শাহাদৎ। দিনমজুর বাবা জামাল উদ্দীন গোয়ালের গরু-ছাগল বিক্রি ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ছেলেকে বিদেশে পাঠান। কিন্তু শাহাদৎকে চুক্তি মোতাবেক গাড়িচালকের

ইন্দোনেশিয়ায় অন্তত ৩৪টি শিশুকে পাচার ও বিক্রির একটি হাই-প্রোফাইল মামলায় গত মঙ্গলবার দেশটির একটি আদালত ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছে। তবে আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলেও একটি বড় প্রশ্ন অমীমাংসিতই থেকে গেছে—সিঙ্গাপুরে দত্তক নেওয়া ওই শিশুদের ভবিষ্যৎ এখন কী হবে?