
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের পূর্ণ ক্ষতিপূরণসহ চাকরিতে পুনর্বহাল এবং মিথ্যা সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দণ্ডিত ও নিরপরাধ কারাবন্দী বিডিআর সদস্যদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ। এসব দাবি জানিয়ে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তাঁরা। এই সময়ের মধ্য

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে প্রকাশ্যে বিতর্কিত ও অসংলগ্ন মন্তব্য করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম বিডিআরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি। রোববার (৩১ মে) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মানববন্ধনে দুই দফা দাবি জানায় বিডিআর কল্যাণ পরিষদ। দাবিগুলো হলো—চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল ও পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং মিথ্যা মামলায় দণ্ডিত নিরপরাধ সদস্যদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জেলার আবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ওই সাতজনের মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলার আসামিদের জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়।