
পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ ও হত্যার ঘটনার ‘নিরপেক্ষ’ তদন্ত দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং তাদের পরিবার পরিজনদের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি এবং এই

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের অপেক্ষা আর দীর্ঘ করা যায় না। অনতিবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের নামে নাটক সাজিয়ে যেসব নিরপরাধ বিডিআর সদস্যকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের শিকার চাকরিচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত সব বিডিআর সদস্যকে চাকরিতে পূর্ণ ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বহাল করতে হবে। একই সঙ্গে মিথ্যা সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দণ্ডিত নিরপরাধ জেলবন্দী বিডিআর সদস্যদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে শহীদ সেনাসদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক...