
আজকের ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়। বর্তমানে এটি কিশোর-কিশোরীদের জীবনযাপনের ধরনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। বিউটি টিউটরিয়াল দেখা কিংবা প্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের ব্যবহৃত মেকআপসামগ্রী কেনা, এসবই যেন এখন বয়ঃসন্ধিকালের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে পর্দার এই ঝলমলে দুনিয়ার পেছনে

প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো কেমিস্ট ছাড়াই বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে ক্রিম, লোশন, শ্যাম্পু, নেইল পলিশ রিমুভার, ফেসিয়াল স্ক্রাব ও আফটার শেভসহ বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এ ছাড়া উৎপাদিত পণ্যের কোনো গুণগত মান পরীক্ষা বা ল্যাব টেস্ট ছাড়াই বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছিল।

আমরা সবাই সাবান ব্যবহার করি। বেশির ভাগ সাবানে থাকে বিভিন্ন পশুর চর্বি। প্রসাধনী তৈরিতেও প্রচুর চর্বি প্রয়োজন। ফলে বিভিন্ন প্রাণীর চর্বি সংগ্রহ করা হয়। এসব প্রাণীর কোনো কোনোটির চর্বিতে যে কৃমি থাকে, তা বহু বছর জীবিত থাকতে পারে। এই চর্বি গরম করা হলেও কিছু কৃমি সক্রিয় থাকে।

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ ও দুই যুবক আটকের ঘটনায় পুলিশের এক উপপরিদর্শকের সঙ্গে (এসআই) চোরাকারবারির কথোপকথনের দুটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহারের পর গতকাল বৃহস্পতিবার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক...