
অমর একুশে বইমেলায় তসলিমা নাসরিনের বই রাখাকে কেন্দ্র করে ‘সব্যসাচী’ স্টলের সামনে সৃষ্ট উত্তেজনা ও হট্টগোলের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির সচিব ও বইমেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রধান সেলিম রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলা একাডেমি আয়োজিত চলমান মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার দশম দিন অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ১২৮ নম্বর ‘সব্যসাচী’ স্টলে সংঘটিত ঘটনা অনভিপ্রেত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ৭ সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুন রশিদকে। অন্য সদস্যরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ খালিদ হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ রোমেল, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির প্রতিনিধি মো. আবুল বাশার ফিরোজ শেখ, শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালিদ মনসুর এবং বাংলা একাডেমির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।
তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বরাবর লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
১০ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলায় সব্যসাচী প্রকাশনীর স্টলে নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনের নিষিদ্ধ বই রাখার অভিযোগে একদল বিক্ষুব্ধ লোকের রোষানলে পড়েন প্রকাশক শতাব্দী ভব। পুলিশের সহযোগিতায় মেলা থেকে বের করে নেওয়া হয় তাঁকে। এর পরপরই সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টলটি।

আজ বুধবার সকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
সংসদে অতিকথন এবং আক্রমণাত্মক আচরণ পরিহার করে গঠনমূলক বক্তব্য উপস্থাপন করতে সরকারি দলের সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল মঙ্গলবার সরকারি দলের সংসদীয় সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে সংসদে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এমপি সালাহ উদ্দিন আইউবী বলেছেন, ‘নিজে আটটি পাম্প ঘুরেও তেল পাননি, গাড়ি রেখে লোকাল পরিবহনে সংসদে আসতে হয়েছে। অথচ সরকারিভাবে বলা হচ্ছে তেলের সংকট নেই।’
১৪ ঘণ্টা আগে
৯ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় এই দুই নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৭০৪ জন এবং বগুড়া সদর উপজেলার ১৫০টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৯৯০ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ২৭৮টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৯৪ জন সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন...
১৪ ঘণ্টা আগে