
আবহাওয়া দপ্তরের ভাষায় ‘শৈত্যপ্রবাহ’ না চললেও গতকাল রোববার টানা তৃতীয় দিনের মতো সারা দেশ তীব্র শীতে কাবু ছিল। বরং ঠান্ডার কামড়ের জোর আরও কিছুটা বেড়েছে। উত্তরবঙ্গসহ দেশের অনেক এলাকাতেই ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। অনেকে আখের রস, লেবুর পানি ও শরবত খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করছেন। দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফাঁকা থাকছে ফুলবাড়ী পৌর শহরের রাস্তাঘাট। দাবদাহ আর

চুয়াডাঙ্গায় বইছে তীব্র তাপ প্রবাহ। এতে ফসলের ক্ষতিসহ জনজীবনে নেমে এসেছে চরম অস্থিরতা। জেলায় প্রতিদিন তাপমাত্রার নতুন নতুন রেকর্ড করা হচ্ছে। আজ শনিবার মৌসুমের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। বিকেল ৩টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল মাত্র ১৮ শতাংশ।

মাঘের শীতে কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের চিলমারীর মানুষ। উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে গোটা এলাকা। শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষ। ছিন্নমূল মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিবারণ করছে।