ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। অনেকে আখের রস, লেবুর পানি ও শরবত খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করছেন। দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফাঁকা থাকছে ফুলবাড়ী পৌর শহরের রাস্তাঘাট। দাবদাহ আর গরমে চাহিদা বেড়েছে দই, ঘোল, শরবত ও তালের শাঁসের।
উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের কৃষিশ্রমিক ইলিয়াস হেম্ব্রম ও বেতদীঘি ইউনিয়নের সূর্যপাড়া গ্রামের কৃষিশ্রমিক শ্যামল হাঁসদা বলেন, ‘দাবদাহের কারণে মাঠে কাজ করতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠছি। তীব্র দাবদাহে জন্য খেতখামারে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন নারী কৃষিশ্রমিক রাস্তার কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দাবদাহের জন্য।’
পৌর এলাকার রিকশাচালক হাসান আলী বলেন, কয়েক দিন ধরে ভ্যাপসা গরমে রাস্তায় লোকজন পাওয়া যাচ্ছে না। সকালে রিকশা নিয়ে বের হলেও যাত্রীর অভাবে তেমন আয়-রোজগার হয়নি। রাস্তা থাকছে ফাঁকা। আয় না হওয়ায় অনেকে বিকেলে রিকশা বের করছেন।
মাইক্রোবাসের চালক সঞ্জিত প্রসাদ বলেন, গরম আর দাবদাহের জন্য রাস্তার পিচ গলে যাচ্ছে, এতে যানবাহন খুব সতর্কতার সঙ্গে চালাতে হচ্ছে। একটু এদিক-ওদিক হলেই দুর্ঘটনার ঘটতে পারে।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়াবিদ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে দিনাজপুর জেলার তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১২টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৪৯ শতাংশ।
এ কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে জেলাজুড়ে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও এর তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাতাসের গড় আর্দ্রতার পরিমাণ ৬১ শতাংশ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহের জন্য মানুষ সর্দি-জ্বর, গলাব্যথা, ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানাসহ গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ সময় রোদ ও গরম এড়িয়ে চলতে হবে, বেশি বেশি পানি পান করতে হবে।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। অনেকে আখের রস, লেবুর পানি ও শরবত খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করছেন। দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফাঁকা থাকছে ফুলবাড়ী পৌর শহরের রাস্তাঘাট। দাবদাহ আর গরমে চাহিদা বেড়েছে দই, ঘোল, শরবত ও তালের শাঁসের।
উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের কৃষিশ্রমিক ইলিয়াস হেম্ব্রম ও বেতদীঘি ইউনিয়নের সূর্যপাড়া গ্রামের কৃষিশ্রমিক শ্যামল হাঁসদা বলেন, ‘দাবদাহের কারণে মাঠে কাজ করতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠছি। তীব্র দাবদাহে জন্য খেতখামারে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন নারী কৃষিশ্রমিক রাস্তার কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দাবদাহের জন্য।’
পৌর এলাকার রিকশাচালক হাসান আলী বলেন, কয়েক দিন ধরে ভ্যাপসা গরমে রাস্তায় লোকজন পাওয়া যাচ্ছে না। সকালে রিকশা নিয়ে বের হলেও যাত্রীর অভাবে তেমন আয়-রোজগার হয়নি। রাস্তা থাকছে ফাঁকা। আয় না হওয়ায় অনেকে বিকেলে রিকশা বের করছেন।
মাইক্রোবাসের চালক সঞ্জিত প্রসাদ বলেন, গরম আর দাবদাহের জন্য রাস্তার পিচ গলে যাচ্ছে, এতে যানবাহন খুব সতর্কতার সঙ্গে চালাতে হচ্ছে। একটু এদিক-ওদিক হলেই দুর্ঘটনার ঘটতে পারে।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়াবিদ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে দিনাজপুর জেলার তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১২টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৪৯ শতাংশ।
এ কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে জেলাজুড়ে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও এর তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাতাসের গড় আর্দ্রতার পরিমাণ ৬১ শতাংশ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহের জন্য মানুষ সর্দি-জ্বর, গলাব্যথা, ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানাসহ গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ সময় রোদ ও গরম এড়িয়ে চলতে হবে, বেশি বেশি পানি পান করতে হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে