
১৯ বছর পর পাকিস্তানের লাহোরে আবার ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব ‘বাসন্ত’। দীর্ঘ বিরতির পর শহরের আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ির ওড়াউড়ি, ছাদে ছাদে মানুষের হাসি–চিৎকার আর ঢোলের শব্দ যেন বসন্তের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। তবে এই উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য প্রাণহানির তিক্ত স্মৃতিও।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে বিদ্যুতের তারে আটকে থাকা ঘুড়ি নামাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে সিদু বর্মণ (১০) নামে এক শিশু মারা গেছে। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের বরম বাজারসংলগ্ন বর্মণপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রাজ্যের বিদার জেলার তালামাদাগি সেতুর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন সঞ্জুকুমার। এ সময় রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে থাকা টানটান ঘুড়ির সুতায় তাঁর গলা গভীরভাবে কেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়ার পরও তিনি কোনোমতে তাঁর মেয়ের নম্বরে কল করতে সক্ষম হন।

আবহমান গ্রাম-বাংলা থেকে হারাতে বসেছে শৈশবের চিরচেনা ঘুড়ি ওড়ানো উৎসব। আর সেই হারানো ঐতিহ্যকে ফেরাতে ও বর্তমান প্রজন্মের সামনে ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসবকে তুলে ধরতে ‘এসো ওড়াই ঘুড়ি, বাংলার ঐতিহ্য লালন করি’ প্রতিপাদ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদ উদ্যাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।