
দুর্গম যমুনার চর। চারদিকে শুধু বালু আর বালু। মানুষের বসতি নেই, নেই কোলাহল। সেই জনমানবহীন চরেই সূর্যের আলো কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি চলছে। বগুড়া-জামালপুর সীমান্তঘেঁষা মাদারগঞ্জে যমুনা নদীর তীরবর্তী কাইজার চরে নির্মাণ করা হচ্ছে ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমের সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের সমন্বয় বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের মূল ভিত্তি হয়ে উঠছে। শুধু সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এখন আর যথেষ্ট নয়— নবায়নযোগ্য জ্বালানি যখন প্রয়োজন, তখন তা নিশ্চিত করতে আমাদের ইন্টেলিজেন্ট এনার্জি স্টোরেজ এবং গ্রিড-ফর্মিং প্রযুক্তি দরকার।

বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি আগের পরিকল্পনামতো কয়লাচালিত না করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরেছে আড়াই হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখন অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে সৌরবিদ্যুৎ খাতে সৌদি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে সৌদি