
গবেষণার তথ্য অনুসারে, একটি মাঝারি প্যানেল ব্যবস্থার জন্য মাসে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে অতিরিক্ত ৬ দশমিক ৬৭ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, যার থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫৬ হাজার ২৪ টাকার আয় সম্ভব।

বরাদ্দের মধ্যে শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের কার্যালয় নির্মাণ এবং সমাধিসৌধের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক উন্নয়নে ১ কোটি টাকা, পীরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাইসাইকেল সংগ্রহে ৫ লাখ টাকা, পীরগঞ্জ আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার প্যানেল) স্থাপনে ২ লাখ টাকা...

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট অঙ্গরাজ্যে বসতবাড়িতে বসানো ব্যাটারিগুলোকে এক সুতায় গেঁথে তৈরি করা হয়েছে এমন এক বিদ্যুৎব্যবস্থা, যা এখন রাজ্যটির সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের সময় বাড়িগুলোকে ব্যাকআপ সরবরাহের পাশাপাশি এসব ব্যাটারি একসঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘ভার্চুয়াল পাওয়ার প্ল্যান্ট’

‘এই চর আমরা হাতছাড়া হতে দেব না’—শীতলক্ষ্যা-ব্রহ্মপুত্রের মিলনস্থলে জেগে ওঠা ধাঁধার চর নিয়ে এমনই ক্ষোভ স্থানীয়দের। তাঁদের জীবিকা, কৃষি উৎপাদন, গবাদিপশু পালন ও পাখির আবাসস্থল এই চরে ৪৫ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।