
স্পাইং বা গুপ্তচরবৃত্তির কাহিনিগুলোতে সাইলেন্সার লাগানো পিস্তল, গোপন নম্বরের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর ঝলমলে হীরার গল্পই বেশি শোনা যায়। কিন্তু বিদেশিদের তথ্যদাতা বা গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগ দিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ বাস্তবে যে কৌশল ব্যবহার করে, তা অনেক বেশি অদ্ভুত, অনেক বেশি মানবিক।

আমেরিকার সামরিক ডকট্রিন বা মূলনীতির ভিত্তি হলো আকাশপথে নিরঙ্কুশ আধিপত্য। কিন্তু বর্তমান সংঘাত দেখাচ্ছে যে, আধিপত্য মানেই ‘অজেয়’ হওয়া নয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো ইরান সংঘাতও দেখিয়ে দিচ্ছে, সক্ষম প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মানেই হলো জানমালের ক্ষয়ক্ষতি। আকাশ এখন আর কেবল আমেরিকার একার নয়; এটি এখন গতি

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তিনি ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় একা পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন। তাঁর কাছে একটি হ্যান্ডগান ছিল। তিনি পাহাড়ের একটি ফাঁকে আশ্রয় নেন এবং প্রায় ৭ হাজার ফুট (২ হাজার মিটার) উচ্চতার একটি রিজ লাইনে (শৈলরেখা) ওঠেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ইরানি নাগরিকদের নিজ দেশের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির আহ্বান জানিয়েছে। এমনকি যোগাযোগ করার উপায়ও বাতলে দিয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।