
ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ইদানীং এক বিশেষ ঘরানার ভিডিও বেশ নজরে পড়ে। ঝকঝকে রান্নাঘর, পরনে রঙিন অ্যাপ্রোন আর হাসিমুখে পরিবারের জন্য খাবার তৈরি করছেন একজন নারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে একে বলা হচ্ছে ‘ট্র্যাডওয়াইফ’ বা প্রথাগত ঘরোয়া স্ত্রী হওয়ার ট্রেন্ড।

বিরক্তি হতে পারে আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার বিষয়! না, অবাক হওয়ার কিছু নেই। গবেষকেরা জানাচ্ছেন এই তথ্য। আজকের ডিজিটাল যুগে আমরা একমুহূর্তও বিরক্ত হতে চাই না। বাসের জন্য অপেক্ষা করছি? মোবাইল ফোন বের করি। লিফটের জন্য ১৫ সেকেন্ড দাঁড়াতে হবে? স্ক্রলে ডুবে যাই। একঘেয়েমি, বিরক্তি বা বোরড শব্দগুলো...

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আনন্দে বা দুঃসময়ে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরার প্রবণতা আমাদের আদিম পূর্বপুরুষ থেকে আসা এক সহজাত প্রবৃত্তি। বন্য প্রাণীরাও যেমন একে অপরের গায়ের লোম পরিষ্কার করে বা মমতা দিয়ে গা ঘষে সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, মানুষের ক্ষেত্রেও স্পর্শ তেমনি নিরাপত্তা ও বিশ্বাসের প্রতীক।

কর্মজীবনে বড় কোনো সাফল্য পেতে হলে কেবল কঠোর পরিশ্রমই যথেষ্ট নয়, মাঝে মাঝে সাহসী কিছু সিদ্ধান্ত বা ‘ঝুঁকি’ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়ে। আমাদের মস্তিষ্ক প্রাকৃতিকভাবেই আমাদের নিরাপদ রাখতে চায়, যাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় ‘নেতিবাচক পক্ষপাত’বলা হয়। এই আদিম স্বভাবের কারণেই আমরা সম্ভাব্য লাভের চেয়ে ক্ষতির ভয়