
এলাকাভেদে এটি ভাঁট, ভাঁটি, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু নামেও পরিচিত। এটি গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ। গ্রামবাংলার পরিচিত বুনো উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার অঞ্চলকে এই উদ্ভিদের আদি নিবাস হিসেবে ধরা হয়। দেশের বনবাদাড়, ঝোপঝাড়, পতিত জমি ও সড়কের পাশে এই গাছ বেশি জন্মে।

প্রকৃতি থেকে এখনো পুরোপুরি সরেনি শীতের চাদর। রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি দিন গায়ে লাগে আলতোভাবে। পাতা ঝরা গাছে গজিয়েছে নতুন কুঁড়ি, কোকিলের কুহুতানে জেগে উঠছে চারপাশ। বাতাসে ভেসে আসছে নানা ফুলের ঘ্রাণ। এরই মধ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের রাস্তার ধারে ফুটে থাকা শিমুল ও পলাশ ফুলে রঙিন হয়ে...

শীতপ্রধান ইউরোপের টিউলিপের দেখা মিলেছে এবার কিশোরগঞ্জে। শহরের মধ্যেই কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে ফুটেছে এই ফুল। জেলার ইতিহাসে এই প্রথম এমন টিউলিপের বাগান গড়ে উঠেছে।

বসন্ত আসছে। খেতে রংবেরঙের জারবেরা ফুল ফুটে দোল খাচ্ছে বাতাসে। সেই খেতের এক পাশ থেকে ফুল তুলছেন শুধু বসন্তে নয়, বারো মাস ফুল ফোটানোর কারিগর রেশমা খাতুন। এই ফুলের চাষ তাঁর সংসারে বসন্ত এনে দিয়েছে।