
১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ মিশনের সমাপ্তির পর দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীর বিরতি ভেঙে আবারও চাঁদের দেশে পাড়ি জমাল মানুষ। গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে নাসার ৩২২ ফুট উচ্চতার দানবীয় ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (এসএলএস) রকেটটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

আর্টেমিস-২ মিশনে ওরিয়ন মহাকাশযানে চড়ে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি জমানো চার নভোচারী আগামী ১০ দিন মহাশূন্যে কী খাবেন, তার বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করেছে নাসা। গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এই মেনুতে প্রাতরাশ, দুপুরের খাবার ও নৈশভোজের জন্য বৈচিত্র্যময় সব খাবারের আয়োজন রাখা হয়েছে।

এই মিশনে অংশ নেওয়া চার নভোচারীর মধ্যে তিনজন নাসার অভিজ্ঞ সদস্য এবং একজন কানাডীয় নভোচারী রয়েছেন। মিশনের কমান্ডার ৫০ বছর বয়সী রিড ওয়াইজম্যান। নাসার এই অভিজ্ঞ নভোচারী এর আগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন অভিজ্ঞ টেস্ট পাইলট।

আর্টেমিস-২ মিশনে থাকা চার নভোচারী হলেন নাসার রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে ফিরে আসার ১০ দিনের এই যাত্রায় তাঁরা কয়েক দশকের মধ্যে মহাকাশের সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে ভ্রমণ করবেন।