আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাণিজ্যিক জেটের সমান একটি ছোট গ্রহাণু পৃথিবী অতিক্রম করবে আগামীকাল। এটি চাঁদের চেয়ে কম দূরত্বে থেকে পৃথিবীকে অতিক্রম করবে।
এই নিকটবর্তী গ্রহাণু ২০২৫ কিউডি ৮ নামে পরিচিত। আগামীকাল ৩ সেপ্টেম্বর প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৬৫ মাইল (২ লাখ ১৮ হাজার ৯ কিলোমিটার) দূরত্বে থেকে পৃথিবী অতিক্রম করবে। এই দূরত্ব পৃথিবী-চাঁদের দূরত্বের মাত্র ৫৭ শতাংশ।
গ্রহাণুটির অনুমেয় ব্যাসার্ধ ৫৫ থেকে ১২৪ ফুট (১৭ থেকে ৩৮ মিটার) এবং এটি পৃথিবী বা চাঁদের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে না। প্রতি ঘণ্টায় এর গতিবেগ প্রায় ২৮ হাজার মাইল (৪৫ হাজার কিলোমিটার), যা পৃথিবীর তুলনায় অত্যন্ত দ্রুত।
এই গ্রহাণুর ফ্লাইবাই লাইভ সম্প্রচার করবে ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্ট। তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে বাংলাদেশ সময় ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮ টায় এই সম্প্রচার দেখা যাবে।
ইতালির মানচিয়ানো থেকে পরিচালিত তাদের রোবোটিক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তারা এই মহাজাগতিক দেহের সরাসরি দৃশ্য উপস্থাপন করবে।
গত ৩০ আগস্ট ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্ট একটি ১৭ ইঞ্চির টেলিস্কোপ ‘এলেনা’ দিয়ে গ্রহাণুটির ছবি তুলতে সক্ষম হয়। সে সময় এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪ কোটি মাইল (৩৯ কোটি কিলোমিটার) দূরে ছিল। ৩০০ সেকেন্ড দীর্ঘ এক্সপোজারে ধারণ করা ছবিতে গ্রহাণুটিকে একটি ক্ষুদ্র বিন্দুর মতো দেখা যায়, যা দূরের নক্ষত্রের ভিড়ে অতি সূক্ষ্ম।
নাসা ও এর অংশীদাররা হাজার হাজার গ্রহাণু আবিষ্কার করেছে, যাদের কক্ষপথ পৃথিবীর কাছাকাছি হয়ে যায়। এর মধ্যে হাজার হাজার সম্ভাব্য বিপজ্জনক বস্তু রয়েছে, যেগুলো একদিন পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে।
তবে, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির ‘সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজ’ জানিয়েছে, আগামী ১০০ বছরে পৃথিবীর বড় ধরনের ক্ষতি করতে সক্ষম এমন কোনো গ্রহাণুর আঘাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।
তথ্যসূত্র: স্পেস ডট কম

বাণিজ্যিক জেটের সমান একটি ছোট গ্রহাণু পৃথিবী অতিক্রম করবে আগামীকাল। এটি চাঁদের চেয়ে কম দূরত্বে থেকে পৃথিবীকে অতিক্রম করবে।
এই নিকটবর্তী গ্রহাণু ২০২৫ কিউডি ৮ নামে পরিচিত। আগামীকাল ৩ সেপ্টেম্বর প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৬৫ মাইল (২ লাখ ১৮ হাজার ৯ কিলোমিটার) দূরত্বে থেকে পৃথিবী অতিক্রম করবে। এই দূরত্ব পৃথিবী-চাঁদের দূরত্বের মাত্র ৫৭ শতাংশ।
গ্রহাণুটির অনুমেয় ব্যাসার্ধ ৫৫ থেকে ১২৪ ফুট (১৭ থেকে ৩৮ মিটার) এবং এটি পৃথিবী বা চাঁদের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে না। প্রতি ঘণ্টায় এর গতিবেগ প্রায় ২৮ হাজার মাইল (৪৫ হাজার কিলোমিটার), যা পৃথিবীর তুলনায় অত্যন্ত দ্রুত।
এই গ্রহাণুর ফ্লাইবাই লাইভ সম্প্রচার করবে ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্ট। তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে বাংলাদেশ সময় ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮ টায় এই সম্প্রচার দেখা যাবে।
ইতালির মানচিয়ানো থেকে পরিচালিত তাদের রোবোটিক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তারা এই মহাজাগতিক দেহের সরাসরি দৃশ্য উপস্থাপন করবে।
গত ৩০ আগস্ট ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্ট একটি ১৭ ইঞ্চির টেলিস্কোপ ‘এলেনা’ দিয়ে গ্রহাণুটির ছবি তুলতে সক্ষম হয়। সে সময় এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪ কোটি মাইল (৩৯ কোটি কিলোমিটার) দূরে ছিল। ৩০০ সেকেন্ড দীর্ঘ এক্সপোজারে ধারণ করা ছবিতে গ্রহাণুটিকে একটি ক্ষুদ্র বিন্দুর মতো দেখা যায়, যা দূরের নক্ষত্রের ভিড়ে অতি সূক্ষ্ম।
নাসা ও এর অংশীদাররা হাজার হাজার গ্রহাণু আবিষ্কার করেছে, যাদের কক্ষপথ পৃথিবীর কাছাকাছি হয়ে যায়। এর মধ্যে হাজার হাজার সম্ভাব্য বিপজ্জনক বস্তু রয়েছে, যেগুলো একদিন পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে।
তবে, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির ‘সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজ’ জানিয়েছে, আগামী ১০০ বছরে পৃথিবীর বড় ধরনের ক্ষতি করতে সক্ষম এমন কোনো গ্রহাণুর আঘাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।
তথ্যসূত্র: স্পেস ডট কম

বাঙালি পাতে এক টুকরা বড় কার্পের পেটি কিংবা মুড়িঘণ্ট না হলে ভোজন যেন অসম্পূর্ণই থেকে যায়। কিন্তু এই সুস্বাদু অভিজ্ঞতার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সূক্ষ্ম কাঁটা। কার্প মাছ নিয়ে ভোজনরসিকদের ধৈর্যের পরীক্ষা হয়। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, একটি সাধারণ কার্পে প্রায় ৮০টির বেশি ক্ষুদ্র ও ওয়াই-আকৃতির...
৪ দিন আগে
বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী ছিল উত্তপ্ত ম্যাগমায় ঢাকা এক অনাবাসযোগ্য পাথুরে গ্রহ। আজকের নীল-সবুজ, প্রাণে ভরপুর পৃথিবীতে তার রূপান্তরের ইতিহাস এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি। তবে ২০২৫ সালে একের পর এক বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমাদের এই গ্রহটির অতীত, গভীরতা ও অদ্ভুত আচরণ সম্পর্কে নতুন জানালা খুলে দিয়েছ
৭ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘তারমিম ভালোভাবে বেড়ে উঠছে। এর শারীরবৃত্তীয়, জৈব-রাসায়নিক ও শারীরিক সব সূচকই স্বাভাবিক রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবে তারমিমের পেশির বৃদ্ধি তার অ-সম্পাদিত যমজ বোনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্য আরও বাড়তে পারে বলে আমরা মনে করি।’
৯ দিন আগে
দশকের পর দশক কিংবা শতাব্দীকাল ধরে মানবসভ্যতার নানা অধ্যায়ে জমে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে বিশ্বজুড়ে এ বছর গবেষকেরা যেন গোয়েন্দার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। প্রত্নতত্ত্ব, জেনেটিক বিজ্ঞান, মাইক্রোবায়োলজি ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৫ সালে উন্মোচিত হয়েছে বহু ঐতিহাসিক রহস্য।
১৩ দিন আগে