
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমরা যখনই মানোন্নয়নের কথা বলি, তখন পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো, প্রযুক্তি কিংবা পরীক্ষাপদ্ধতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। কিন্তু একটি মৌলিক সত্য প্রায়ই আড়ালে থেকে যায় যে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান শেষ পর্যন্ত অনেকটাই নির্ভর করে সেখানে কারা শিক্ষক হচ্ছেন এবং কার হাতে প্রতিষ্ঠানের

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা আবারও পরিচালনা পর্ষদের হাতে দেওয়ার আলোচনায় উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। তাঁরা বলছেন, এটা হলে নিয়োগে দুর্নীতি হবে এবং তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই প্রতিবাদ জানিয়ে গত সোমবার এবং গতকাল মঙ্গলবার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন...

‘ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হলে আবারও স্বজনপ্রীতি, অর্থের বিনিময়ে চাকরি ও মামা-চাচার সুপারিশের সংস্কৃতি ফিরে আসতে পারে। কোনোভাবেই এই ব্যবস্থা ছাত্রসমাজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।’

আজ সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে আজকের পত্রিকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, ‘আজ এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না, শুধু এসএসসির ফল নিয়ে প্রশ্ন করুন।’