
গান শোনার জনপ্রিয় অ্যাপ স্পটিফাই ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সুবিধা চালু করেছে। এবার থেকে বিনা মূল্যের ব্যবহারকারীরাও নির্দিষ্ট গান বেছে শুনতে পারবেন। এত দিন তাঁদের শুধু প্লেলিস্ট শাফল করে গান শোনার সুযোগ ছিল এবং গান স্কিপ করার ওপরও ছিল সীমাবদ্ধতা।
স্পটিফাই জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা এখন থেকে নির্দিষ্ট গান সার্চ করে চালাতে পারবেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা গান লিংকও খুলে শুনতে পারবেন। নতুন এই সুবিধাগুলো গতকাল সোমবার থেকে বিশ্বব্যাপী চালু হয়েছে।
স্পটিফাইয়ের মোট ব্যবহারকারীর একটি বড় অংশ—প্রায় ৬০ শতাংশই ফ্রি ব্যবহারকারী। চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬৯৬ মিলিয়ন, যার মধ্যে ২৭৬ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার (প্রিমিয়াম গ্রাহক)।
তবে ফ্রি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা এখনো সীমিত কিছু শর্তে বাধা। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চকে স্পটিফাইয়ের একজন মুখপাত্র জানান, ফ্রি ব্যবহারকারীদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ‘অন ডিমান্ড টাইম’ দেওয়া হবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করার পর ব্যবহারকারীদের আগের মতো নির্দিষ্টসংখ্যক গান স্কিপ করার নিয়ম মেনে চলতে হবে।
‘অন ডিমান্ড টাইম’ কতক্ষণ থাকবে—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি স্পটিফাই।
স্পটিফাইয়ের বিজ্ঞাপন অভিজ্ঞতা ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য বদলাবে কি না, সে বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটি কিছু জানায়নি।
এই পরিবর্তনগুলো আসছে ঠিক তখনই, যখন স্পটিফাইয়ের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি জুলাইয়ের আয়ের প্রতিবেদনে জানায়, চতুর্থ প্রান্তিকে তাদের বিজ্ঞাপন আয় সবচেয়ে বেশি হয়, কারণ, ছুটির মৌসুমে বিজ্ঞাপনের চাহিদা বেশি থাকে।
এ ছাড়া জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পটিফাইয়ের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ এবং ফ্রি ব্যবহারকারী ১০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
চলতি বছরের সর্বশেষ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির আয় আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২০ কোটি ইউরো, যা প্রায় ৪৯৫ কোটি মার্কিন ডলার।
গত এক বছরে স্পটিফাইয়ের শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ১০৮ শতাংশ।
তথ্যসূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
৩ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৫ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৫ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৫ দিন আগে