ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) অর্থনীতিবিদেরা জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন পর্যন্ত ইউরোপের শ্রমবাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। তবে প্রযুক্তিটি দ্রুত বিকশিত হওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রভাব কী হতে পারে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
ইসিবির বিশ্লেষণে ৩ হাজার ৫০০টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়, যার একটি অংশ এআই ব্যবহার করছে এবং অন্য অংশ ব্যবহার করছে না। ফলাফলে দেখা যায়, কর্মী নিয়োগ বা ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে দুই পক্ষের মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ কোনো পার্থক্য নেই।
বরং যারা এআই ঘন ঘন ব্যবহার করছে, তারা গড়ের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেশি নতুন কর্মী নিয়োগের প্রবণতা দেখিয়েছে। এক ব্লগ পোস্টে অর্থনীতিবিদেরা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এআইয়ে বিনিয়োগ ও এর ব্যাপক ব্যবহার চাকরি প্রতিস্থাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
তাদের ব্যাখ্যা, অনেক প্রতিষ্ঠান একই সঙ্গে এআই প্রযুক্তি উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিদ্যমান উৎপাদনপ্রক্রিয়াও বজায় রাখছে। ফলে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের প্রয়োজন হচ্ছে। আবার এআই কিছু প্রতিষ্ঠানের দ্রুত সম্প্রসারণেও সহায়তা করছে।
তবে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন অর্থনীতিবিদেরা। যেসব প্রতিষ্ঠান শ্রম ব্যয় কমানোর লক্ষ্য নিয়ে এআইয়ে বিনিয়োগ করেছে, তারা বাস্তবে কর্মী ছাঁটাই করেছে। যদিও এআই ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মাত্র ১৫ শতাংশ শ্রম খরচ কমানোকে প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা সামগ্রিক ইতিবাচক প্রবণতাকে এখনো ছাপিয়ে যায়নি।
এদিকে বিশ্বজুড়ে এআইয়ের কারণে কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়তে পারে—এমন উদ্বেগ বাড়ছে। মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট আমাজন ও জার্মান বিমা প্রতিষ্ঠান আলিয়ানজ সাম্প্রতিক সময়ে চাকরি কমানোর পেছনে এআই নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছে।
গত সপ্তাহে একটি ভাইরাল ব্লগ পোস্টে এআইয়ের কারণে ব্যাপক ছাঁটাই ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার আশঙ্কা তুলে ধরা হলে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়।
ইসিবি অর্থনীতিবিদদের মতে, এখনো এআই উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় বড় ধরনের রূপান্তর আনতে পারেনি। তবে প্রযুক্তিটি আরও পরিণত হলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থানের ওপর এআইয়ের প্রভাব কতটা গভীর হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

গভীর রাত। ঘুমন্ত ও নিস্তব্ধ পুরো এলাকা। এমন সময় উচ্চশব্দে বেজে উঠেছে গাড়ির অ্যালার্ম। পুরো এলাকার মানুষের ঘুমের বারোটা বেজে গেল। এমন ঘটনা ঘটছে পূর্ব লন্ডনে। আর এই অ্যালার্মের উৎস গুগলের গাড়ির।
১১ ঘণ্টা আগে
একসময় পোষা পাখির পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পৌঁছে দেওয়া হতো নির্দিষ্ট মানুষের কাছে। মাসের পর মাস দেখা কিংবা কথা হতো না অনেকের সঙ্গে। একসময় এল ল্যান্ডফোন, তারপর এসেছে স্মার্টফোন। তখন আমরা অনেকের মোবাইল ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারতাম।
১৩ ঘণ্টা আগে
একসময় যা ছিল কম্পিউটার স্ক্রিনের আড়ালে থাকা যুদ্ধ, তা এখন আক্ষরিক অর্থে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা—সবই এখন হ্যাকারদের নখদর্পণে। ফলে এখন আপনার মনে হতেই পারে, কেউ সারাক্ষণ আপনাকে চোখে চোখে রাখছে!
১৩ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। পরিত্যক্ত খনি এলাকাগুলোকে সবুজ জ্বালানি ও টেকসই শিল্পকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এর উদাহরণ দেখা যাচ্ছে হুবেই প্রদেশের তাইয়্য শহরে।
১৪ ঘণ্টা আগে