মোবাইল ফোনসেট এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি হয়ে উঠেছে বিলাসিতার প্রতীকও। কিছু কিছু ফোনসেট আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি সোনা, হীরা, প্লাটিনাম এবং অন্য দামি ধাতু দিয়ে শৈল্পিকভাবে ডিজাইন করা হয়। বিলাসবহুল এসব মোবাইল ফোন এতটাই মূল্যবান যে এগুলোর দাম শুনলে অবাক হতে হয়।

গোল্ডভিশ লে মিলিয়ন
গোল্ডভিশের তৈরি এই মোবাইল ফোনসেট একসময় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোবাইল ফোন হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। এটি ১২০ ক্যারেট হীরায় ঢাকা ১৮ ক্যারেট সাদা সোনায় তৈরি। এর মূল্য প্রায় ১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

গ্রেসো লাক্সর লাস ভেগাস জ্যাকপট
গ্রেসো ব্র্যান্ডের তৈরি মোবাইল ফোনসেটটি খুবই বিলাসবহুল এবং সীমিত সংস্করণে বাজারে আনা হয়েছিল। ১৮০ গ্রাম খাঁটি সোনার প্রলেপ এবং ৪৫ দশমিক ৫ ক্যারেট কালো হীরা ব্যবহার করা হয়েছিল এটি তৈরির সময়। এর পেছনের কাভারে ব্যবহার করা হয়েছে ২০০ বছরের পুরোনো আফ্রিকান ব্ল্যাকউড। এই মোবাইল ফোনসেটের বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা।

গোল্ডভিশ রেভল্যুশন
সুইজারল্যান্ডের বিলাসবহুল মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড গোল্ডভিশ তৈরি করেছে এই ফোন। এর মাত্র ৯টি ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। এটি তৈরিতে ১৮ ক্যারেট গোলাপি ও সাদা সোনা ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি এই মোবাইল সেটে রয়েছে ২৯ ক্যারেট হীরা। এর বিশেষ আকর্ষণীয় দিক হলো, মোবাইল ফোনসেটটির নিচের অংশে সুইস ঘড়ি নির্মাতা ফ্রেডরিক জুভেন্টের একটি বিলাসবহুল ঘড়ি সংযুক্ত রয়েছে। মোবাইল ফোনটির মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।

ডায়মন্ড ক্রিপ্টো স্মার্টফোন
রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান জেএসসি অ্যানকোর্ট এই মোবাইল ফোন তৈরি করেছে। এটি ১৮ ক্যারেট গোলাপি সোনা এবং প্লাটিনামের সংমিশ্রণে তৈরি। এ ছাড়া রয়েছে ৫০টির বেশি হীরা। এগুলোর মধ্যে ১০টি বিরল নীল হীরা। এটি শুধু বিলাসবহুলই নয়, বরং নিরাপত্তার জন্যও বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য এনক্রিপ্ট করা যায়। এর দাম প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

আইফোন ৩জি কিংস বাটন
অস্ট্রিয়ান জুয়েলার পিটার অ্যালোইসনের ডিজাইন করা এই আইফোন ১৮ ক্যারেট হলুদ, সাদা এবং গোলাপি সোনায় তৈরি। এতে ১৩৮টি হীরা বসানো হয়েছে। এসব হীরার মধ্যে ৬ দশমিক ৬ ক্যারেট হীরার একটি হোম বাটন রয়েছে। এর মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

আইফোন ৫ ব্ল্যাক ডায়মন্ড
২০১৩ সালে চীনের এক ব্যবসায়ীর জন্য স্টুয়ার্ট হিউজেস ডিজাইন করেছিলেন এই আইফোন ৫। এতে ব্যবহৃত হয়েছে ২৬ ক্যারেটের বিরল কালো হীরা। দাম প্রায় ১৯২ কোটি টাকা।

আইফোন ৪ ডায়মন্ড রোজ
অস্ট্রেলিয়ান ব্যবসায়ী টনি সেজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই মোবাইল ফোন ৫০০টির বেশি হীরায় মোড়ানো। এতে অ্যাপল লোগোটির চারপাশে ৫৩টি হীরা রয়েছে এবং নেভিগেশন বাটনে রয়েছে ৭ দশমিক ৪ ক্যারেট গোলাপি হীরা। দাম প্রায় ৯৭ কোটি টাকা।

আইফোন ৪এস এলিট গোল্ড
এই মোবাইল ফোনসেট ২৪ ক্যারেট সোনা এবং ১০০ ক্যারেট হীরার সংমিশ্রণে তৈরি। এটির প্লাটিনাম কেসিংয়ে ব্যবহৃত হয়েছে টি-রেক্স ডাইনোসরের হাড়। ফলে এর দাম হয়েছে আকাশচুম্বী, প্রায় ১১৪ কোটি টাকা।

গোল্ড স্ট্রাইকার আইফোন ৩জিএস সুপ্রিম
ব্রিটিশ ডিজাইনার স্টুয়ার্ট হিউজেসের ডিজাইন করা এই আইফোন ২২ ক্যারেট সোনায় তৈরি। এ ছাড়া এতে ১৩৬টি হীরা সংযুক্ত করা হয়েছে। হোম বাটন হিসেবে রয়েছে ৭ দশমিক ১ ক্যারেট হীরা। দাম প্রায় ৩৮ দশমিক ৮ কোটি টাকা।

ফ্যালকন সুপারনোভা আইফোন ৬ পিংক ডায়মন্ড
এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোবাইল ফোন। ২০১৪ সালে মার্কিন বিলাসবহুল পণ্যনির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফ্যালকন তৈরি করেছিল এটি। ২৪ ক্যারেট সোনা, প্লাটিনাম এবং পেছনে বসানো বড়সড় গোলাপি হীরা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোবাইল ফোনে পরিণত করেছে। দাম প্রায় ৫৮৮ কোটি টাকা।
বিলাসিতা, বিশেষ নকশা, দামি ধাতু এবং মূল্যবান খনিজের সংমিশ্রণে তৈরি এই মোবাইল ফোনসেটগুলো কেবল প্রযুক্তির অংশ নয়; এগুলো উচ্চবিত্ত সমাজের আভিজাত্যেরও প্রতীক বটে। এগুলোর প্রতিটি আসলে আলাদা সম্পদ।
সূত্র: সোথবিজ ইন্টারন্যাশনাল

গভীর রাত। ঘুমন্ত ও নিস্তব্ধ পুরো এলাকা। এমন সময় উচ্চশব্দে বেজে উঠেছে গাড়ির অ্যালার্ম। পুরো এলাকার মানুষের ঘুমের বারোটা বেজে গেল। এমন ঘটনা ঘটছে পূর্ব লন্ডনে। আর এই অ্যালার্মের উৎস গুগলের গাড়ির।
১ ঘণ্টা আগে
একসময় পোষা পাখির পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পৌঁছে দেওয়া হতো নির্দিষ্ট মানুষের কাছে। মাসের পর মাস দেখা কিংবা কথা হতো না অনেকের সঙ্গে। একসময় এল ল্যান্ডফোন, তারপর এসেছে স্মার্টফোন। তখন আমরা অনেকের মোবাইল ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারতাম।
৩ ঘণ্টা আগে
একসময় যা ছিল কম্পিউটার স্ক্রিনের আড়ালে থাকা যুদ্ধ, তা এখন আক্ষরিক অর্থে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা—সবই এখন হ্যাকারদের নখদর্পণে। ফলে এখন আপনার মনে হতেই পারে, কেউ সারাক্ষণ আপনাকে চোখে চোখে রাখছে!
৪ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। পরিত্যক্ত খনি এলাকাগুলোকে সবুজ জ্বালানি ও টেকসই শিল্পকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এর উদাহরণ দেখা যাচ্ছে হুবেই প্রদেশের তাইয়্য শহরে।
৪ ঘণ্টা আগে