
স্রেফ আনন্দের কারণে বিশ্বখ্যাত হোটেল ব্র্যান্ড হলিডে ইনের মালিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপের (আইএইচজি) ওয়েবসাইট হ্যাক করে সব তথ্য চিরতরে মুছে দিয়েছে এক হ্যাকার দম্পতি। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা এই কথা স্বীকার করেন।
ওই যুগল নিজেদের ভিয়েতনামের নাগরিক বলে পরিচয় দেন। হ্যাকিংয়ের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তাঁরা জানান, প্রথমে তাঁরা র্যানসমওয়্যার অ্যাটাকের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই দফায় ব্যর্থ হয়ে তাঁরা সাইটের বিপুল পরিমাণ তথ্য মুছে ফেলেন। তাঁরা আরও জানান, ওয়েবসাইটটির পাসওয়ার্ড খুবই দুর্বল ছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ (আইএইচজি) বিশ্বজুড়ে হোটেল হলিডে ইন, ক্রাউন প্লাজা এবং রিজেন্ট নামে ৬ হাজার হোটেল পরিচালনা করেছে। গত সপ্তাহের সোমবার প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকেরা বিশ্বজুড়েই হোটেল বুকিং এবং চেক ইনের ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলায় পড়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন।
গ্রাহকদের এমন প্রতিক্রিয়ার জবাবে হোটেল কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, তাদের ওয়েবসাইটটিতে কাজ চলছে। এরপর টানা দুদিন চেষ্টার পর প্রতিষ্ঠানটি জানতে পারে তাদের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়েছে।
ওই হ্যাকারযুগল নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন চা–মোটরদানা (টি–পি) নামে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টেলিগ্রামে পাঠানো এক এনক্রিপ্টেড বার্তায় বিবিসির কাছে হ্যাকের বিভিন্ন প্রমাণাদি পাঠিয়েছেন। তাঁরা একাধিক স্ক্রিনশটও পাঠিয়েছেন তাদের দাবির সপক্ষে।
ওই যুগলের একজন বলেছেন, ‘আমরা মূলত র্যানসমওয়্যার দিয়ে অ্যাটাক করা পরিকল্পনা করেছিলাম কিন্তু কোম্পানির আইটি টিম সার্ভারগুলোকে আলাদা করে রাখায় আমরা মজার করার কথা ভেবে ওয়াইপার আক্রমণ করেছি।’ ওয়াইপার আক্রমণ হলো এমন এক প্রকারের সাইবার আক্রমণ যার ফলে কোনো একটি ঠিকানার তথ্যগুলো চিরতরে মুছে ফেলা হয়। আর কোনোভাবেই উদ্ধার করা যায় না।

স্রেফ আনন্দের কারণে বিশ্বখ্যাত হোটেল ব্র্যান্ড হলিডে ইনের মালিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপের (আইএইচজি) ওয়েবসাইট হ্যাক করে সব তথ্য চিরতরে মুছে দিয়েছে এক হ্যাকার দম্পতি। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা এই কথা স্বীকার করেন।
ওই যুগল নিজেদের ভিয়েতনামের নাগরিক বলে পরিচয় দেন। হ্যাকিংয়ের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তাঁরা জানান, প্রথমে তাঁরা র্যানসমওয়্যার অ্যাটাকের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই দফায় ব্যর্থ হয়ে তাঁরা সাইটের বিপুল পরিমাণ তথ্য মুছে ফেলেন। তাঁরা আরও জানান, ওয়েবসাইটটির পাসওয়ার্ড খুবই দুর্বল ছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ (আইএইচজি) বিশ্বজুড়ে হোটেল হলিডে ইন, ক্রাউন প্লাজা এবং রিজেন্ট নামে ৬ হাজার হোটেল পরিচালনা করেছে। গত সপ্তাহের সোমবার প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকেরা বিশ্বজুড়েই হোটেল বুকিং এবং চেক ইনের ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলায় পড়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন।
গ্রাহকদের এমন প্রতিক্রিয়ার জবাবে হোটেল কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, তাদের ওয়েবসাইটটিতে কাজ চলছে। এরপর টানা দুদিন চেষ্টার পর প্রতিষ্ঠানটি জানতে পারে তাদের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়েছে।
ওই হ্যাকারযুগল নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন চা–মোটরদানা (টি–পি) নামে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টেলিগ্রামে পাঠানো এক এনক্রিপ্টেড বার্তায় বিবিসির কাছে হ্যাকের বিভিন্ন প্রমাণাদি পাঠিয়েছেন। তাঁরা একাধিক স্ক্রিনশটও পাঠিয়েছেন তাদের দাবির সপক্ষে।
ওই যুগলের একজন বলেছেন, ‘আমরা মূলত র্যানসমওয়্যার দিয়ে অ্যাটাক করা পরিকল্পনা করেছিলাম কিন্তু কোম্পানির আইটি টিম সার্ভারগুলোকে আলাদা করে রাখায় আমরা মজার করার কথা ভেবে ওয়াইপার আক্রমণ করেছি।’ ওয়াইপার আক্রমণ হলো এমন এক প্রকারের সাইবার আক্রমণ যার ফলে কোনো একটি ঠিকানার তথ্যগুলো চিরতরে মুছে ফেলা হয়। আর কোনোভাবেই উদ্ধার করা যায় না।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধন ও আইডি কার্ড ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে সরকার। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা সরকার স্বীকৃত ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাবেন, যা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা ও সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে এবং পেশাগত মর্যাদা...
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশের সাধারণ মানুষের হাতে স্মার্টফোন পৌঁছে দিতে এবং ডিজিটাল সেবা আরও সহজলভ্য করতে বড় ধরনের পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিশেষ করে কাগজের নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে রাষ্ট্রের ব্যয় হয় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।
১ দিন আগে
ইরানের চলমান বিক্ষোভ তীব্র হতে শুরু করলেই দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় সরকার। এরপরও ইলন মাস্কের রকেট কোম্পানি স্পেসএক্সের মালিকানাধীন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা স্টারলিংক ব্যবহার করে অনেকে বিক্ষোভের তথ্য বহির্বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিল।
১ দিন আগে
প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত এবং বড় আয়োজন কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস)। এটি হলো প্রযুক্তির বাণিজ্যিক প্রদর্শনী, যা প্রতিবছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত হয়। পুরো বিশ্বের প্রযুক্তি উদ্ভাবকেরা এখানে আসেন তাঁদের অভিনব সব উদ্ভাবন নিয়ে।
১ দিন আগে