নরওয়ের ট্রন্ডহেইম শহরে এমন একটি নতুন রাস্তা চালু করা হয়েছে, যেখানে চলতে চলতেই বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ নিতে পারবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো জায়গায় থেমে তারপর গাড়ি চার্জ করতে হবে না। রাস্তার নিচে থাকা লুকানো কয়েল থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে চলার সময়ই চার্জ হবে গাড়ি। এ জন্য বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোতে চার্জ নেওয়ার বিশেষ যন্ত্র অবশ্যই থাকতে হবে।
এই প্রযুক্তির নাম ইনডাকটিভ চার্জিং। এটি কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট রাস্তাগুলোর নিচে বিশেষভাবে কপার কয়েল বসানো হয়। এগুলো একটি চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে বলে ব্যাটারি চার্জ হতে থাকে।
নরওয়ের সরকার এই প্রকল্পে ২২ দশমিক ৪ মিলিয়ন নরওয়েজীয় ক্রোনা ব্যয় করেছে। এর প্রধান কারণ, নরওয়ে সরকার চলতি বছরের মধ্যে দেশ থেকে ডিজেল এবং পেট্রলচালিত গাড়ি পুরোপুরি বন্ধ করে বৈদ্যুতিক গাড়ির শতভাগ ব্যবহার শুরু করতে চায়।
ট্রন্ডহেইমে শীতকালে তুষার ও বরফ পড়ে বলে ইনডাকটিভ চার্জিং প্রযুক্তি বাস্তবায়নের জন্য এ জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি সফল হলে পর্যায়ক্রমে এমন বেতার চার্জিং রোড অন্য বরফপূর্ণ বা শীতল এলাকায় তৈরি হবে। পরীক্ষামূলকভাবে এই রাস্তায় চীনের দুটি প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই প্রযুক্তির পরীক্ষা সফল হলে ভবিষ্যতে চার্জিং স্টেশন খুঁজে সময় নষ্ট করতে হবে না। এ ছাড়া পরিবহনব্যবস্থাকে এটি আরও পরিবেশবান্ধব করবে।
সূত্র: স্টেম নিউজ

২০১৬ সালের কথা। দেশের গমচাষিরা হয়তো এখনো ভুলে যেতে পারেননি সেই দুঃস্বপ্নের কথা। একদিন সকালে তাঁরা খেতে গিয়ে দেখতে পেলেন, সবুজ-সোনালি শিষগুলো রাতারাতি সাদা হয়ে গেছে। প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে জানা গেল, এশিয়ার মাটিতে এই প্রথম হানা দিয়েছে গমের ব্লাস্ট রোগ।
১৩ ঘণ্টা আগে
সৃষ্টির জন্য বয়স যে কোনো সমস্যা নয়, তার বহু উদাহরণ আছে পৃথিবীতে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ মানা জাম্পালা। এআই প্রযুক্তির যুগে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মানা যে এই প্রযুক্তিতে কিছু করে ফেলবে, সেই রাস্তা যেন তৈরিই ছিল।
১৪ ঘণ্টা আগে
সাধের ওয়াই-ফাই কানেকশনটি হুটহাট স্লো হয়ে যাওয়া কিংবা বাফারিং করা এক চরম বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। অনেক সময় আমরা ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা রাউটারকে দোষ দিই। কিন্তু ১৯৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম বড় ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরির কারিগর কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালেক্স হিলস জানান...
১৪ ঘণ্টা আগে
আদিগন্ত অন্ধকার আর হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। চারপাশে নিঃসীম শূন্যতা, নেই কোনো সাড়াশব্দ। আমাদের চেনা পৃথিবী থেকে প্রায় ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন মাইল দূরে সৌরজগতে একাকী ভাসছে একটি মানবসৃষ্ট বস্তু। ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে সেটি নিথর অবস্থায় ছিল। কোনো শক্তি নেই, কোনো সাড়া নেই।
১৫ ঘণ্টা আগে