
২০২৩ সালে ইউএস ওপেন জয়ের পর আর কখনো গ্র্যান্ড স্লাম জেতা হয়নি নোভাক জোকোভিচের। এই টুর্নামেন্ট দিয়ে তাঁর সেই অপেক্ষা ঘোচানোর একটা সুযোগ এসেছিল তাঁর কাছে। তবে এবারও তাঁকে ফিরতে হলো খালি হাতে। বিদায়বেলায় কথা বলেছেন নিজের সম্ভাব্য অবসর নিয়ে।
আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে গত রাতে ২০২৫ ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছেন জোকোভিচ ও কার্লোস আলকারাজ। ১৪৩ মিনিটের লড়াইয়ে জোকোভিচ হেরে গেছেন সরাসরি সেটে। ৩৮ বছর বয়সে এসে একের পর এক রেকর্ড গড়া জোকোর পথচলা থেমে গেল সেমিতেই। ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের অপেক্ষা বাড়লেও তাঁর কথাবার্তায় ফুটে উঠেছে হার না মানা মানসিকতা। সার্বিয়ান টেনিস তারকা বলেন, ‘এখনো গ্র্যান্ড স্লামে খেলতে চাচ্ছি। আগামী বছরও খেলতে চাই পুরো মৌসুম। কিন্তু সেটা হবে কি না, এখন ভাবছি তা নিয়ে। কিন্তু গ্র্যান্ড স্লাম তো অন্য রকম ব্যাপার। অন্য টুর্নামেন্টের মতো তো নয়। আমাদের খেলাধুলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট এটা।’
সেমিফাইনালে গত রাতে আলকারাজের বিপক্ষে কিছুটা হলেও লড়াই করতে পেরেছিলেন। মূলত শুরুতে ছন্দে না থাকার সুযোগটা নিতে চেয়েছিলেন জোকোভিচ। দ্বিতীয় সেটে লড়াই এতটা জমে উঠেছে যে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত ৬-৪, ৭-৬ (৭-৪), ৬-২ গেমে জিতে ২০২৫ ইউএস ওপেনের ফাইনাল নিশ্চিত করেন আলকারাজ। ২২ বছর বয়সী স্প্যানিশ টেনিস তারকা বলেন, ‘ফের ফাইনালে ওঠার অনুভূতি দারুণ। আমার জন্য এটা অনেক বড় ব্যাপার। এটা (সেমিফাইনাল) হয়তো টুর্নামেন্টে আমার সেরা ম্যাচ না। কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাথা ঠান্ডা রেখে খেলেছি।’
ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত পাঁচটি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন আলকারাজ। দুই বার করে জিতেছে ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডন। ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতেছেন একবার। সেটাও ২০২২ সালে। তিন বছর পর ফের এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় বাছাইয়ের সামনে। পরশু আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ইউএস ওপেনের ফাইনালে মুখোমুখি হবেন ইয়ানিক সিনার ও কার্লোস আলকারাজ। এর আগে আলকারাজ এ বছর ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জেতেন।
২৪ বারের গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী জোকোভিচ সবচেয়ে বেশি ১০ বার জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপা। উইম্বলডন জিতেছেন সাতবার। চার ও তিনবার জিতেছেন ইউএস ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা। ২০২৩ সালে ইউএস ওপেন জয়ের পর দুই বছরে নকআউট রাউন্ডে আটকে গেছেন অনেকবার। এবার হার মানলেন আলকারাজের কাছে।
আরও পড়ুন:

ক্রিকেট তো শুধু দক্ষতারই খেলা নয়। মনস্তাত্বিক খেলাও বটে। আচরণবিধির শিকল পায়ে থাকলেও মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে জিততে স্লেজিংয়ে তৈরি হয় অন্য রকম উত্তেজনা। এসব কথার লড়াইয়ে বাংলাদেশের অংশ নেওয়ার উদাহরণ কম। বরং বাংলাদেশকে কথার চাবুকে কাবু করার উদাহরণই বেশি। তবে আজ মোহাম্মদ রিজওয়ান-লিটন দাসের মধ্যে যা হয়েছে
৯ ঘণ্টা আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পুরো বিশ্ব বুঁদ হয়ে থাকবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের’ উন্মাদনায়। বিশেষ করে বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে নিয়ে দেখা যায় অকল্পনীয় উত্তেজনায়। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বেজে গেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের দামামা। আর্জেন্টিনা-ভক্ত শাহরিয়ার নাফীসকেও স্পর্শ
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারের হস্তক্ষেপে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) ভেঙে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছ থেকে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা তো কাজ করছিলই। কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে সেই শঙ্কা থেকে অনেকটাই মুক্ত। আইসিসি ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজার সঙ্গে সভায় ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এসএলসির নবগঠিত কমিটির।
১০ ঘণ্টা আগে
বোলারের বোলিং করার সময় থামিয়ে দেওয়া মোহাম্মদ রিজওয়ানের কাছে নতুন কিছু নয়। আজ সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনে রিজওয়ান এমনটি করেছেন তাইজুল ইসলামের সঙ্গে। মাঝপথে থেমে যাওয়ায় তাইজুল স্বাভাবিকভাবেই বিরক্ত। এরপর লিটন দাসের সঙ্গে রিজওয়ানের সেই তর্কযুদ্ধ। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত রসিকতা করলেন...
১১ ঘণ্টা আগে